আবাসিক কোয়াটার থেকে যুবতীর ফোন ৯৯৯-এ তারপর… – OnlineCityNews
Breaking News
Home / সারা দেশ / আবাসিক কোয়াটার থেকে যুবতীর ফোন ৯৯৯-এ তারপর…

আবাসিক কোয়াটার থেকে যুবতীর ফোন ৯৯৯-এ তারপর…

Advertisement

দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লের এক চিকিৎসকের বি’রুদ্ধে ধ’র্ষণের অ’ভিযোগ এনে কোতয়ালি থা’নায় মা’মলা দায়ের করেছে ৩০ বছর বয়সী এক তরুণী। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় দিনাজপুর কোতয়ালি থা’নায় ওই যুবতী বাদী হয়ে মা’মলা দায়ের করেন।

মা’মলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর কোতয়ালি থা’নার ইন্সপেক্টর (ত’দন্ত) বজলুর রশিদ। অ’ভিযু’ক্ত চিকিৎসকের নাম ডাঃ নরদেব রায়। তিনি দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লের এ্যানেসথেসিস্ট চিকিৎসক। তিনি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজে’লার প্রেমবাজার এলাকার মনোরঞ্জন রায়ের ছেলে।

মা’মলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুরের বিরল উপজে’লার কাশিডাঙ্গা এলাকার সম্ভু রায়ের মেয়ে মমতা রায় (৩০) দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা অবস্থায় দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লের চিকিৎসক ডাঃ নরদেব রায়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। দীর্ঘ দুই বছরে প্রেমের সম্পর্কের কারণে

ওই চিকিৎসক একাধিকবার বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মমতা রায়কে হাসপাতা’লের আবাসিক কোয়ার্টারে নিয়ে গিয়ে ইচ্ছার বি’রুদ্ধে ধ’র্ষণ করে। ওই যুবতী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, প্রেমের সম্পর্কের কারণে এবং বিয়ে করবে এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে একাধিকবার ডাঃ নরদেব রায় তার নিজস্ব কোয়ার্টারে নিয়ে গিয়ে ইচ্ছার বি’রুদ্ধে ধ’র্ষণ করে।

আমি বিয়ের করার কথা বললে আজকাল করতে করতে কালক্ষেপণ করতে থাকে। সর্বশেষ গত রবিবার (১০ মে) মমতা রায়কে ডাঃ নরদেব রায় মোবাইল ফোনে কল করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজের আবাসিক এলাকার একটি কোয়ার্টারের ৪র্থ তলায় আসতে বলে। সরকারি কোয়ার্টারে দুপুর ২টার সময় আমি ডাঃ নরদেব রায়ের কাছে যাই।

সেখানে গিয়ে কিছুটা সময় কা’টানোর পর ডাঃ নরদেব রায়কে বিয়ের কথা বললে তিনি বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বিয়ে করতে অনিহা প্রকাশ করেন। এক পর্যায়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে কোয়ার্টারের রুম থেকে তাকে বের করে দিতে চাইলে তিনি বের হইনি। পরে ডাঃ নরদেব রায় তাকে কিলঘুষি মেরে কোয়ার্টার থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে। মমতা রায় ঘর থেকে বের না হতে চাইলে তিনি নিজেই ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান।

ওইদিন (রবিবার) রাত ১২টার দিকে কোন উপায় না পেয়ে মমতা রায় সরকারি সেবার ৯৯৯ কল করে পু’লিশের সহযোগিতা চায়। পরে পু’লিশ সেখানে গিয়ে রাতেই তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থা’নায় নিয়ে আসে। ধ’র্ষণের বিষয়টি জানার জন্য ডাঃ নরদেব রায়কে ফোন করা হলে তাঁর মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ওই চিকিৎসকের বড় ভাই পঞ্জগড় মহিলা কলেজের প্রভাষক জয়দেব বর্মন বলেন, এটা একটা সাজানো ফাঁদ। আমা’র ভাই একটা চক্রান্তের মধ্যে পড়ছে। ধ’র্ষণের বিষয়টি ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। ওই মেয়ের সঙ্গে আমা’র ভাইয়ের কোন সম্পর্ক নেই।

এ বিষয়ে দিনাজপুর কোতয়ালী থা’নার ইন্সপেক্টর (ত’দন্ত) বজলুর রশিদ জানান, একজন চিকিৎসকের বি’রুদ্ধে ধ’র্ষণের মা’মলা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পলাতক আছেন। মেয়েটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে পাঠানো হয়েছে। জানতে চাইলে দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লের পরিচালক ডাঃ নির্মল চন্দ্র দাস বলেন, ‘মা’মলার বিষয়টি জেনেছি। তবে পু’লিশ অথবা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যদি আমা’দের কাছে লিখিতভাবে কিছু জানতে চায় তাহলে আম'রা জানাব।

Advertisement
Advertisement

Check Also

হাজী সেলিমের ছে’লের ঘটনায় ক্ষেপে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বা’হিনীকে যে কোঠর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

Advertisement Advertisement হাজী সেলিমের ছে’লের ঘটনায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষু’ব্ধ প্রতিক্রিয়া …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!