Breaking News
Home / করোনা নিউজ / ক’রোনা চিকিৎসায় দেশে প্রথম রেমডেসিভির উৎপাদন, যেভাবে কাজ করে এই ঔষধ

ক’রোনা চিকিৎসায় দেশে প্রথম রেমডেসিভির উৎপাদন, যেভাবে কাজ করে এই ঔষধ

Advertisement

ক’রোনাভা’ইরাস প্রতিরোধে কা’র্যকর ওষুধ রেমডেসিভির উৎপাদন সম্পন্ন করেছে দেশের খ্যাতনামা ওষুধ প্রস্তুতকা’রী প্রতিষ্ঠান এস’কেএফ ফার্মাসিউটি’ক্যাল লিমিটেড। উৎপাদনের সব প্রক্রিয়া শেষ করার পর আজ শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে বাজার’জাতের প্রস্তুতি।

এসকেএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মক’র্তা সিমিন হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘করো’না পরিস্থিতি নিয়ে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আম'রা দেশবা’সীকে এই সুখবর দিতে চাই যে বিশ্বে করো’নার একমাত্র কার্যকর ওষুধ বলে স্বীকৃত জেনেরিক রেমডে’সিভির উৎপাদনের সব ধাপ আম’রা সম্পন্ন করেছি।’

করো’না রোগী’দের চিকিৎসায় মা’র্কিন প্র’তিষ্ঠান গিলিয়েড সায়েন্সেস কোম্পানির তৈরি এই ওষুধ সারা বিশ্বে সাড়া ফেলেছে। যুক্ত’রাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) গত সপ্তাহে করো’নার ওষুধ হিসেবে রেম’ডেসিভিরকে ব্যবহারের অনুমোদন দেয়। জাপানের ওষুধ প্রশাসন ৭ মে থেকে ওষুধটি করো’না রোগী’দের ওপর প্রয়োগের অনুমতি দিয়েছে। তবে কবে নাগাদ জাপান এর উৎপাদনে যাবে তা এখনো ঠিক হয়নি বলে সে দেশের একজন স্বাস্থ্য কর্মক’র্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন।

মা’র্কিন প্রতিষ্ঠান গিলিয়েড ‘সায়েন্সেস ওষুধটি উৎপাদনের জন্য ভারত ও পা’কিস্তানের বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলেও খবরে জানা গেছে। এ অবস্থায় এসকেএফই বিশ্বে প্রথম ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, যারা জেনেরিক (মূল/গোত্র) রেমডেসিভির উৎপাদন করতে সক্ষম হলো। এসকেএফের উৎপাদন করা রেমডেসিভিরের বাণিজ্যিক নাম ‘রেমিভির’।

সিমিন হোসেন বলেন, ‘ওষুধ প্রশাসন গত মার্চ মাসে ওষুধটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। ওষুধ প্রশাসনের অনুমোদনের পরপরই আমা’দের ফর্মুলেশন বিজ্ঞানীরা মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে রেমডেসিভির নিয়ে কাজ শুরু করেন। যেহেতু এটি একটি শিরায় দেওয়া ইনজেকশন, সে কারণে এর উৎপাদনে সূক্ষ্ম প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। দুই মাস ধরে এসকেএফ কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের ফলেই এত কম সময়ে এটা উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। ওষুধের মূল উপাদান সরবরাহ’কারীদের সঙ্গে চুক্তি করে পর্যাপ্ত কাঁচামাল প্রাপ্যতা নিশ্চিত করেছি আম'রা।’

কোভিড-১৯ রোগের বি’রুদ্ধে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি কার্যকারিতা দেখিয়েছে রেমডেসিভির। গিলিয়েড-এর নিজস্ব পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই ওষুধ ব্যবহারে রোগীদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। মানুষের শিরায় ইনজেকশন হিসেবে এই ওষুধ প্রয়োগ করতে হয়। রোগের তীব্রতার ওপর এর ডোজ নির্ভর করে। গুরুতর অ’সুস্থ রোগীদের জন্য ৫ অথবা ১০ দিনের ডোজ প্রয়োজন হতে পারে।

রেমডেসিভির উৎপাদনের একচেটিয়া স্বত্ব রয়েছে গিলিয়েডের। তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আইন অনুযায়ী, জাতি’সংঘ স্বীকৃত বাংলা’দেশের মতো স্বল্পোন্নত দেশগুলো এসব পেটেন্ট বা স্বত্ব অগ্রাহ্য করতে পারে। ফলে এসব দেশ সহনীয় মূল্যে ওষুধ উৎপাদন করতে পারে। তবে এই ওষুধটি বর্তমানে খোলা বাজারে দেওয়া হবে না। এটা দে ক’রোনা চিকিৎসার জন্য সরকার অনুমোদিত হাসপাতা’ল বা ক্লিনিককে ওয়া হবে।

যুক্তরা’ষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রা’মক রোগ বিশেষজ্ঞ ও আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশেস ডিজিজেসের পরিচালক অ্যান্থনি এস ফাউসি হোয়াইট হাউসে এক আলোচনায় বলেন, ‘করো’না থেকে দ্রুত সেরে ওঠার ক্ষেত্রে রেমডেসিভিরের ইতিবাচক প্রভাব পরিষ্কার। আর এই ওষুধ যেহেতু কাজ করছে বলে প’রিষ্কার প্রমাণ মিলেছে, তখন তা দ্রুত মানু’ষকে জানানো নৈতিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়ে।’

Advertisement
Advertisement

Check Also

দেশে করোনার আরো নতুন ৫ উপসর্গ, জানুন সেগুলো কি কি?

Advertisement Advertisement আনিস সাহেব (ছ’ন্দ নাম) অফিস থেকে ফি’রেই ক্লা’ন্তি বো’ধ কর’ছিলেন। অফিস থেকে ‘ফিরলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!