মিথিলাকে ম’ণ্ডপে নিয়ে বড় যে বিপাকে পড়তে হল সৃজিতকে! – OnlineCityNews

মিথিলাকে ম’ণ্ডপে নিয়ে বড় যে বিপাকে পড়তে হল সৃজিতকে!

ষষ্ঠী, সপ্ত’মীতে মেঘলা আকাশ অ’ষ্টমীর সকালে ঝ’লমলে। এই রোদ দেখে কারওর ইচ্ছে করে ঘরে বসে থাকতে? বেরিয়ে পড়েছেন পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র নির্মা’তা সৃজিত মুখোপাধ্যায়। ভোর ভোর স্নান সেরে নতুন ধুতি আর লাল পাঞ্জাবিতে সেজে, সঙ্গে নতুন বৌ মিথিলা।

বিয়ের প্রথম বছর বলে কথা! স্বামীর এই ইচ্ছেয় তাই তাল মিলিয়েছেন মিথিলাও। পরনে মেজেন্ডা লাল শাড়ির জমিতে দু’র্গা দা’লানের জমাটি আলপনার ছাপ! খোলা চুলে, মু’ক্তোর গয়নায় বাংলাদেশি ক’ন্যের স্নি’গ্ধ রূপে সুরুচি সংঘের পুজোয় বাড়তি গ্ল্যামার! সৃজিত-মিথিলা বরাবরই অতিথিবৎসল।

তাই সঙ্গী হিসেবে ডেকে নিয়েছিলেন সাংসদ-তারকা নুসরত জাহান এবং তাঁর স্বামী নিখিল জৈ’নকে। নিখিলের পরনে সাদা শা’র্ট। নুস’রত যথা’রীতি মো’হময়ী লাল পাড় সাদা শাড়ি, সোনার গয়নায়। ফাঁ’কা ম’ণ্ডপ পেয়ে মনের সুখে ‘চ’তুষ্কোণ’ নিজস্বী তো তুলেছেন।

অঞ্জ’লি দিয়েছেন। আর শেষে ছিল ঢাক বাজান। আর এতেই আ’ইনি জ’টিলতায় পড়তে যাচ্ছেন সৃজিত। জানা গেছে, পুজো মণ্ডপে ‘নো এন্ট্রি’-র নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাই’কোর্ট। কিন্তু সেই নির্দেশ অমা’ন্য করে যেসব সেলিব্রিটি ক্লাব সদস্য না হয়েও অ’ষ্টমীর সকালে মণ্ডপে প্রবেশ করে অঞ্জলি দিয়েছেন, তাদের বিরু’দ্ধে এবার আ’ইনি ব্যবস্থা নিতে চলেছেন মা’মলাকারী অজয় কুমার দে’র আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়।

তবে শুধু সৃজিত মুখোপাধ্যায় নয়, তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র ও নুসরাত জাহানও রয়েছেন এই তালিকায়। আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশ সকলের মেনে চলা উচিত। তাছাড়া কেউ যদি জনপ্রতিনিধি হন, নির্দেশ পালনের ক্ষেত্রে তার দায়িত্বটা আরও বেড়ে যায়। আম'রা সবটাই নজরে রাখছি। যারাই নির্দেশ অমান্য করবেন,

তাদের ক্ষেত্রেই আম'রা আইনি ব্যবস্থা নেব।’ সব্যসাচীর মতে, ‘নুসরাত জাহান বা মহুয়া মৈত্র– যে কেউ অঞ্জলি দিতেই পারেন যদি তিনি পুজা উদ্যোক্তা হন বা সদস্য হন। কিন্তু আম'রা যতদূর জানতে পেরেছি নুসরাত জাহান ওই এলাকার বাসিন্দা নন। বিষয়টি আম'রা পু’লিশকে জানাব এবং আইনি নোটিশ পাঠাব। তাছাড়া মহুয়া মৈত্রর কাছ থেকে এটা আশা করা যায় না।

তিনি একাধিক সাংবিধানিক মা’মলায় নিজে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি আইন মানবেন, মানুষ এটাই আশা করে।’ যদিও নুসরাতের পক্ষ থেকে তার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন যে নুসরাত তিন বছর আগে থেকেই সুরুচি সংঘের সদস্য। সেক্ষেত্রে তিনি সেখানে অঞ্জলি দিতে গিয়ে কিছু ভুল করেননি। এক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘিত হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *