করো’নায় ভ’য়াবহ পরিস্থিতির দিকে নারায়ণগঞ্জ, এ পযর্ন্ত যত জন মা’রা গেছে – OnlineCityNews

করো’নায় ভ’য়াবহ পরিস্থিতির দিকে নারায়ণগঞ্জ, এ পযর্ন্ত যত জন মা’রা গেছে

রাজু আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ: দেশে করো’নাভাই’রাসের হটস্পট হিসেবে পরিচিত নারায়ণগঞ্জে প্রা’ণঘাতী এ ভাই’রাসে মা’রা গেছে ৫০ জন।

প্রতিদিনই বাড়ছে আ’ক্রান্ত ও মৃ’তের সংখ্যা। করো’নার ক্লাস্টার এলাকা নারায়ণগঞ্জে ভ’য়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে আশ’ঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে শিল্প-কারখানা খুলে দেয়ার ঘোষণার পর থেকে নারায়ণগঞ্জে কার্যত লকডাউন বলতে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।

কয়েক লাখ শ্রমিকের কলরবে মুখর হয়ে উঠেছে শিল্পাঞ্চলখ্যাত নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ, কাঁচপুর এলাকা। শ্রমিকদের কাজে যোগদানের কারণে এসব এলাকায় খুলে গেছে মুদি দোকান থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব দোকানপাট।

একই সঙ্গে সোমবার মা’র্কেট খোলার সিদ্ধান্ত আসার পরপরই নারায়ণগঞ্জের কয়েক হাজার রেডিমেড পোশাক কারখানা, হোসিয়ারি কারখানাসহ ছোট ছোট শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। তাছাড়া লকডাউনের মধ্যেই নারায়ণগঞ্জে আটা-ময়দা, তেল, ডাল, লবণসহ নিত্যভোজ্য ও খাদ্যসামগ্রীর ৪ শতাধিক ফ্যাক্টরি খোলা ছিল, যেগুলো এখনও চলছে। ফলে কর্মের তাগিদে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নামছেন।

সোমবার সরেজমিন শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শহরের বিভিন্ন স্থানে খুলতে শুরু করেছে মা’র্কেটগুলো। সেখানে ক্রেতা কম থাকলেও বিক্রেতারা উপস্থিত। সড়কে সড়কে ইফতারি নিয়ে বসেছে দোকানিরা। আছে ভ্রাম্যমাণ হকার। খুলেছে ২৪৭টি শিল্প প্রতিষ্ঠান। বন্ধ ঘোষিত সরকারি ঘাটগুলোতে পু’লিশ প্রহরা থাকলেও ঘাটের ১০ গজ দূরেই অস্থায়ী ঘাট বানিয়ে পারাপার হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। ১০ জন ধারণ ক্ষমতার ১টি নৌকায় পারাপার হচ্ছেন কমপক্ষে ৫০ জন।

ফতুল্লার বিসিক ও সিদ্ধিরগঞ্জের ইপিজেড এলাকায় গিয়ে হাজার হাজার শ্রমিকের বাড়ি ফেরতের ও কর্মস্থলে যোগদানের দৃশ্য দেখলে বোঝার উপায় নেই নারায়ণগঞ্জে করো’নায় আ’ক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে ২ দিন আগেই। এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, সত্যি কথাটা অনেক সময় বললেও বিপদ। কিন্তু নারায়ণগঞ্জের পরিস্থিতি দেখে অন্তত এটা বলা যায়, গুচ্ছ সংক্রমণ বা কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরুর খা’রাপ সময়ে শিল্প-কারাখানা খোলার মানে হচ্ছে আÍঘাতী।

চলতি মাসে যদি নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দ্বিগুণ করা যায় তবে এর ভ’য়াবহতা আর বর্ণনা করতে হবে না। এ ব্যাপারে জে’লার সিনিয়র গণমাধ্যমকর্মী আবদুল সালাম জানান, মাত্র ১টি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির ন্যূনতম ৫শ’ শ্রমিককে করো’না টেস্ট করানো হোক। সূত্র: যুগান্তর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *