Breaking News
Home / শিক্ষা / এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা করোনায় আক্রান্ত হলে যেতে পারবে না কেন্দ্রে, আছে বিকল্প ব্যবস্থা

এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা করোনায় আক্রান্ত হলে যেতে পারবে না কেন্দ্রে, আছে বিকল্প ব্যবস্থা

Advertisement
Advertisement

এইচএসসি পরীক্ষার্থী বা তার পরিবারের কোনো সদস্য করো’না ভা’ইরাসে আক্রান্ত হলে সেই শিক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে যেতে পারবেন না। তাদের জন্য বিকল্প মূল্যায়নের সুযোগ রেখে এই পাবলিক পরীক্ষার রোডম্যাপ চূড়ান্ত করা হচ্ছে।







একাধিক শিক্ষা বোর্ডের দায়িত্বশীল কর্মক’র্তারা আমা’দের সময়কে জানিয়েছেন, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা কাজ করছে। কবে পরীক্ষা হবে- কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারছেন না বোর্ড চেয়ারম্যানরা।







তাছাড়া বিদ্যমান করো’না পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়ার মতো পরিবেশও নেই। এর মধ্যে শিক্ষার্থীরা যাতে কোনো ধরনের উৎকণ্ঠায় না থাকেন এ বিষয়টিও মাথায় রেখেছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।







এরই অংশ হিসেবে চলতি সপ্তাহে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বার্তা দিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যাতে পরীক্ষার্থীরা বাসায় পড়াশোনায় মনোযোগী হন। এ জন্য পরীক্ষার একটি রোডম্যাপ করা হচ্ছে, এতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।







একজন বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, আম'রা চাচ্ছি না করো’না ভা’ইরাসে আক্রান্ত কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষার বাধ্যবাধকতার জন্য বাসার বাইরে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাক। কোনো পরীক্ষার্থীর ঘরে পরিবারের সদস্য যদি করো’না ভা’ইরাসে আক্রান্ত হন সেই পরীক্ষার্থীকেও আম'রা পরীক্ষাকেন্দ্রে গ্রহণ করব না।







তাদের মূল্যায়নের জন্য বিকল্প ভাবছে শিক্ষা প্রশাসন। করো’না সংক্রমণের কারণে স্থগিত থাকা এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার জানানোর কথা রয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের।







গত ১ এপ্রিল এ পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। বছর প্রায় শেষ হয়ে আসায় এ পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে প্রায় ১৩ লাখ পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে। পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতি সম্পর্কে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাবকমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক জানান, পরীক্ষা গ্রহণের জন্য সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া আছে।







একটি বড় পাবলিক পরীক্ষা এটি। এর সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ছাড়াও কয়েকটি মন্ত্রণালয়-দপ্তরের কর্মক’র্তা-কর্মচারীরা জড়িত। শিক্ষার্থী, অভিভাবক আর পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট মিলে প্রায় ২০-২৫ লাখ মানুষের সম্পৃক্ততা। স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে এত মানুষের সম্পৃক্ততায় পরীক্ষা গ্রহণ করাও চ্যালেঞ্জ।







করো’না সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পরই এই পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। তবে এর আগেই সরকার পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জানিয়ে দেবে। যাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আর উদ্বেগ না থাকে। তারা লেখাপড়ায় মনোযোগী হয়।







সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার কেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পরীক্ষার আয়োজন করা, সিলেবাস ও নম্বর কমিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক বিভাগের মূল বিষয়গুলোর পরীক্ষা নিয়ে মূল্যায়নের মত দিয়েছেন বোর্ড চেয়াম্যানরা।







একই সঙ্গে তারা করো’না ভা’ইরাসে আক্রান্ত শিক্ষার্থী বা তাদের পরিবারের কেউ আক্রান্ত থাকলে ওই শিক্ষার্থী যাতে পরীক্ষায় অংশ না নেন, সে বিষয়ে আগেই যেন জানিয়ে দেওয়া হয়।







মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ বলেন, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাবকমিটির সভায় পরীক্ষা কীভাবে আয়োজন করা সম্ভব- সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এ আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এটি মন্ত্রণালয় যথাসময়ে প্রকাশ করবে।







করো’না ভা’ইরাসের কারণে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এ ছুটি চলবে। মহামারীর কারণে এবার পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির কেন্দ্রীয় সমাপনী পরীক্ষা নেবে না সরকার। নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে ওপরের শ্রেণিতে উত্তীর্ণের কথা রয়েছে।






Advertisement
Advertisement

Check Also

এসএসসিতে পাঁচ বিষয়ে পরীক্ষা, সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন

Advertisement প্রাক প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণি শিক্ষাক্রম পাল্টে যাচ্ছে। বিষয় ও সময় কমিয়ে বইয়ে আনা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!