‘মেসিকে ইংল্যান্ডের ধারেকাছেও দেখতে চাই না’, কেন করলেন এমন মন্তব্য? – OnlineCityNews

‘মেসিকে ইংল্যান্ডের ধারেকাছেও দেখতে চাই না’, কেন করলেন এমন মন্তব্য?

বার্সেলোনা ছাড়বেন লিওনেল মেসি- এ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তার নতুন গন্তব্য হিসেবে সবচেয়ে বেশিবার উচ্চারিত হয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির নাম। বিশেষ করে ম্যান সিটির কোচ হিসেবে পেপ গার্দিওলা থাকায় এ সম্ভাবনা দেখা দেয় আরও বেশি।

শেষপর্যন্ত মেসির ক্লাব ছাড়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হয় তা সময়ই বলে দেবে। তবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন লিভারপুলের ডিফেন্ডার অ্যান্ডি রবার্টসন সাফ মানা করে দিয়েছেন, তিনি মেসিকে ইংল্যান্ডের ধারেকাছেও দেখতে চান না।

ক্লাব ছাড়ার গুঞ্জনটিকে আরও জোরালো করে বার্সেলোনার নতুন মৌসুমের বাধ্যতামূলক পিসিআর করো’না টেস্ট এবং প্রথম অনুশীলনেও যোগ দেননি মেসি। তার বাবা ও এজেন্ট জর্জ মেসিও বারবার বলেছেন ক্লাব ছেড়ে যেতে চান লিওনেল মেসি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত হয়নি কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

তার আগেই যেন মেসিকে ইংল্যান্ডে যাওয়া থেকে বারণ করে দিলেন রবার্টসন। তবে এর পেছনে কোনো রাগ-ক্ষোভ নয় বরং মেসির জন্য থাকা শ্রদ্ধার কথাই উল্লেখ করেছেন এই স্কটিশ লেফটব্যাক। তার মতে, মেসি যদি ম্যান সিটি যোগ দেন, তাহলে প্রতিদ্বন্দ্বীদের হারানো কঠিন হয়ে যাবে লিভারপুলের জন্য।

রবার্টসন বলেন, ‘পুরোপুরি স্বার্থপরের মতো বলি, আমি চাই না এটা (মেসির ম্যান সিটিতে যোগদান) হোক, সে (মেসি) যেনো বার্সেলোনায় থেকে যায়। সে সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার এবং তাকে আপনার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দলে যোগ দিতে দেখা কখনওই ভালো অনুভূতি দেবে না।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘সে দুর্দান্ত খেলোয়াড় এবং আমি জানি প্রিমিয়ার লিগে এলেও একই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে মেসি। যেহেতু লিভারপুল তাকে দলে নেয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে, তাই আমি চাই সে ইংল্যান্ডের ধারেকাছেও না আসুক। তবে আমা’দের অপেক্ষা করতে হবে কী হয় দেখার জন্য।’

‘আমি মেসির বিপক্ষে দুইটি ম্যাচ খেলেছি এবং সে দুইটি ছিল আমা’র জীবনের সবচেয়ে কঠিন দুই ম্যাচ। তার বিপক্ষে খেলতে নামলে তাকে সবসময় নজরে রাখতে হয়। নয়তো অভাবনীয় সব সুযোগ তৈরি করে ফেলে। সে অসাধারণ এক খেলোয়াড়। সম্ভবত ইতিহাসের সর্বকালের সেরা। তবে আমি চাই সে স্পেনেই থেকে যাক।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *