Breaking News
Home / শিক্ষা / অবশেষে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার নী’তিমা’লা চূড়া’ন্ত, জেনে নিন নী’তিমালা গুলো

অবশেষে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার নী’তিমা’লা চূড়া’ন্ত, জেনে নিন নী’তিমালা গুলো

Advertisement
Advertisement

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারি প্রাথমি’ক বিদ্যালয়’গুলো খোলার নীতি’মালা চূ’ড়ান্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারের (২৭ আগস্ট) মধ্যে এই সি’ন্ত জানানো হবে বলে জানিয়ে’ছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এছাড়া এ বছর কেন্দ্রীয়ভাবে পঞ্চ’ম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। স্ব স্ব স্কুলে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনায় প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার এই পরিকল্পনার প্রজ্ঞাপন শিগগিরই জারি করবে মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে তা নির্দেশনা আকারে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।

করো’নার কারণে গত পাঁচ মাস ধরে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধের এই ঘোষণা আছে। ঠিক কবে নাগাদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যখনই খোলা হোক, স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল খোলার একটি পরিকল্পনা (স্কুল রি-ওপেনিং প্ল্যান) তৈরি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ পরিকল্পনার খসড়ায় দেখা গেছে, বিদ্যালয় খোলার সরকারি নির্দেশনা দেবার পর নূন্যতম ১৫ দিন আগে শিক্ষক, কর্মচারী এবং বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির (এসএমসি) সদস্যদের উপস্থিতিতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করতে হবে। করো’না পরিস্থিতির মধ্যে বিদ্যালয়কে পরিচ্ছন্ন ও ক্লাস নেওয়ার উপযোগী করে তুলতে হবে।

পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। স্কুলের গেটে বা প্রবেশের স্থানে হাত ধোয়ার জন্য সাবান ও পানির ব্যবস্থা করতে হবে। থার্মোমিটার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা মেপে সবাইকে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করানো হবে। স্কুল রি-ওপেনিংয়ের পাঠ্যক্রম পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, করো’নাকালীন সময়ের আগের মতো আর এক বেঞ্চে তিন বা চারজন শিক্ষার্থী বসতে পারবে না।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এক বেঞ্চে দু’জন শিক্ষার্থীকে বসাতে হবে। প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চ’ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের আগের মতো আর সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস হবে না। একটি স্তরে সপ্তাহে দুই বা তিন দিন অথবা প্রতিদিন দুই-তিনটি ক্লাস নেওয়া হবে। তবে ক্লাস নেওয়ার ক্ষেত্রে চতুর্থ শ্রেণিকে বেশি গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া পাঠের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নির্বাচন করে কোন দিন কোন বিষয়ের ক্লাস নেওয়া হবে তা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও এসএমসির সদস্যদের নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। বিদ্যালয় চলাকালীন করণীয় হিসেবে এ পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, একসাথে শিক্ষার্থীরা ভিড় করে খেলাধুলা, আড্ডা-গল্প করতে পারবে না।

সামাজিক দূরত্ব রেখে হাঁটা-চলা করতে হবে। নোটিশ বোর্ডে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, হাসপাতা’ল, অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি যোগাযোগ নম্বর লিখে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। এছাড়া স্কুলে থাকা শিক্ষার্থীর হঠাৎ করে করো’নার উপসর্গ দেখা গেলে স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ব্যবস্থা নেবে।

চলমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারনে দেশে গত ১৭ মা’র্চ থেকে শিক্ষার অন্য স্তরের মতো প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধেরও পাঁচ মাস অ’তিক্রম হচ্ছে। করো’না পরিস্থিতির এই দীর্ঘ সময়ে সারাদেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ঠিক কবে নাগাদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে তা এখনো নিশ্চিত নয়।

Advertisement
Advertisement

Check Also

করো’নায় বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্কুল প্রাঙ্গণে লালশাক চাষ করছেন প্রধান শিক্ষক

Advertisement Advertisement করো’না ভাই’রাসের মহামা’রির কারণে গত আট মাস যাবত বন্ধ রয়েছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!