Home / সারা দেশ / দিনের শুরুতেই যে দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস

দিনের শুরুতেই যে দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস

Advertisement

গত সপ্তাহে সাগরে একটি সুস্পষ্ট লঘুচাপ তৈরি হয়েছিল। এর প্রভাবে সপ্তাহের প্রায় পুরোটা সময় দেশের অধিকাংশ জে’লাতেই হালকা থেকে ভা’রি বৃষ্টি হয়েছিল। গতকাল বুধবার সকালে আরেকটি লঘুচাপ তৈরি হয়েছে। দুপুরে তা সুস্পষ্ট লঘুচাপে রূপ নেয়।

নতুন সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে আজ বৃহস্পতিবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বেশির ভাগ এলাকাতেই ভা’রি বর্ষণ হতে পারে। অন্য বিভাগেও হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আর নদীবন্দরগুলোকে বলা হয়েছে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, দুই সপ্তাহ ধরে টানা যে বৃষ্টি হচ্ছে, তা আগামী ২৬ আগস্ট পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।  আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, সাগরে তৈরি হওয়া লঘুচাপটি বুধবার দুপুরে সুস্পষ্ট লঘুচাপে রূপ নিয়েছে।

তবে নিম্নচাপে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। এটি আজকের মধ্যেই স্থলভাগ অ’তিক্রম করবে। যার প্রভাবে দেশের তিনটি বিভাগে হালকা থেকে ভা’রি বর্ষণ হতে পারে। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ব’ন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যও বলছে, সারা দেশে ব’ন্যার পানি নামতে শুরু করলেও এখনো চারটি স্টেশনের পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে।

যমুনা, আত্রাই, ধলেশ্বরী ও পদ্মা নদীর পানি এখনো ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গঙ্গা নদীর পানি সমতল থেকে বাড়ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুরের নিম্নাঞ্চল ব’ন্যায় স্থিতিশীল থাকবে। অন্যদিকে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি তিন সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ছয় সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে ব’ন্যাকবলিত এলাকার হাজার হাজার মানুষ ঘুরে দাঁড়ানোর আগেই ফের ব’ন্যার কবলে পড়তে যাচ্ছে। এরই মধ্যে চরাঞ্চলের শতাধিক একর জমির বীজতলা ও সবজিক্ষেত তলিয়ে গেছে। নতুন করে পানি বাড়তে থাকায় আগের ব’ন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীর পানি বেড়ে এলাকার সার্বিক ব’ন্যা পরিস্থিতির ফের অবনতি হয়েছে। উপজে’লা পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিস সূত্র জানিয়েছে, গতকাল বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর গোয়ালন্দ পয়েন্টে চার সেন্টিমিটার পানি বেড়ে বিপদসীমার ১৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

এতে নদীতীরবর্তী বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে আছে উপজে’লার দেবগ্রাম, দৌলতদিয়া, ছোটভাকলা ও উজানচর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম। এছাড়া কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি বিপদসীমার নিচে থাকলেও দীর্ঘস্থায়ী ব’ন্যায় ফসলহানি ও নদীভাঙনের কারণে বিপাকে পড়েছে কয়েক লাখ মানুষ। এখনো অনেক এলাকায় আমনের জমি ডুবে আছে পানিতে। কোথাও কোথাও বালুতে ঢেকে গেছে ধানি জমি। ফলে বিপুল পরিমাণ জমি অনাবাদি থাকার শঙ্কা রয়েছে।

Advertisement
Advertisement

Check Also

আর ভ্যান চালাবে না শিশু শম্পা, পরিবারের সব দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

Advertisement জামালপুরে ভ্যা’নচালক শি’শু শম্পার অ’সুস্থ বাবা’র চিকি’ৎসা ও তার প’রিবারের সব দায়িত্ব নিয়ে’ছেন প্রধানমন্ত্রী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!