Breaking News
Home / ধর্ম / হাত নেই, মুখ দিয়ে পৃষ্ঠা উল্টিয়ে অবিরাম পড়ে চলেছেন পবিত্র কোরআন

হাত নেই, মুখ দিয়ে পৃষ্ঠা উল্টিয়ে অবিরাম পড়ে চলেছেন পবিত্র কোরআন

Advertisement
Advertisement

আমা’দের সমাজে অনেককেই দেখা যায় সুস্থ থাকার পরেও মহান আল্লাহ তায়ালার ইবাদত করেন না। কিন্তু সম্প্রতি ইউটিউবে হাত না থাকা এক ধার্মীক মুসলীমের একটি ভিডিও প্রকাশের পর আলোরণ সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে এক ৪০ থেকে ৪৫ বছরের এক মুসলামন তার দুটো হাত না থাকার পরেও তিনি কারো সাহায্য নেন না।

মুখে ব্রাস করা থেকে শুরু করে ওযু, নামাজ এবং প্রতিদিন পবিত্র কোরআন পড়েন তিনি। হাত না থাকার কারণে আল কোরআনের পৃষ্ঠা মুখ দিয়ে উল্টিয়ে নিনে ইবাদতে মুশগু’ল থাকেন এই মুসলমান। তিনি একটি সরকারি অফিসে চাকরী করেন। দিন শেষে বাসায় ফিরে ছেলে মেয়েদের নিজেই পড়ান, অংক করে এমনকি ছবি এঁকে দিচ্ছেন। এসবই তিনি করে থাকেন তার পা দিয়ে।

সৃষ্টির সেরা জীব আশরাফুল মাকলুকাত হচ্ছে মানুষ। তবে মানুষ সৃষ্টির সেরা হলেও মহান আল্লাহ তায়ালা সব ধরণের মানুষদের পছন্দ করেন না। তাহলে মুসলামান ভাইদের অবশ্যই জেনে রাখা দরকার আল্লাহ আসলে কোন প্রকৃতির মানুষকে বেশি পছন্দ করেন।

মহান আল্লাহ তায়ালা আসলে ওই ধরণের মানুষকেই বেশি পছন্দ করেন যিনি আল্লাহ ও রসুলুল্লাহ (সা.)-এর নির্দেশ মেনে চলেন। কে ধনী, কে গরিব- সেটি তার কাছে গু’রুত্বহীন। বিশেষ করে যেসব গরিব মানুষ আল্লাহ ও রসুলুল্লাহ (সা.)-এর নির্দেশ পালন করতে কষ্টকে বরণ করে নেয়, তাদের গু’রুত্ব স্রষ্টার কাছে অনেক বেশি।

তবে এ কষ্টের অর্থ নিজেকে নিঃস্ব করে ফেলা নয়। আবু হুরায়রাহ (রা.) থেকে বর্ণিত : তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! কোন প্রকারের দান-খয়রাত উত্তম? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, গরিবের কষ্টের দান। যাদের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব তোমার ওপর তাদের থেকে দান-খয়রাত শুরু কর (আবু দাউদ থেকে মিশকাতে)।

অ’পরদিকে, রাসূল (সা.) আরো বলেছেন, ‘তোম'রা আল্লাহর চরিত্রে চরিত্রবান হও।’ অর্থাৎ আল্লাহ রহিম ও দয়াবান; আম'রাও অসহায় ও দুর্গতদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করব। আল্লাহ রাজ্জাক বা রিজিকদাতা, আম'রাও অনাহারীর মুখে অন্ন তুলে দেব। হাদিসে আছে, ‘মুমিন বান্দারা উন্নত চরিত্রের দ্বারা গোটা রাত নামাজ আদায়কারী এবং সারা বছর রোজা পালনকারীর মর্যাদায় অতি সহজে পৌঁছে যেতে পারে।’

আবু হুরায়রাহ ও হাকিম ইবনে হিজাম (রা.) থেকে বর্ণিত অ’পর এক হাদিস থেকে জানা যায়, তারা বলেন, রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সচ্ছলতা বজায় রেখে যে দান-খয়রাত করা হয় তা-ই উত্তম দান। তোমার পোষ্যদের থেকে দান শুরু কর (বুখারি ও মুসলিম থেকে মিশকাতে। যারা আল্লাহর কথা মত দান করেন এবং আল্লাহ ও রাসূলের নির্দেশ মেনে চলেন এমন চরিত্রবান মানুষই মহান আল্লাহ তালায়ার কাছে সবচেয়ে প্রিয় ব্যক্তি।

Advertisement
Advertisement

Check Also

জাকাত ব্যবস্থা সচল রাখতে বি’শ্ব ন’বীর যে ঘোষণা

Advertisement Advertisement নিসাব পরিমাণ সম্পদের মা’লিকের উপর জা’কাত আ’দায় করা ফ’রজ। অনেকেই জাকাত আ’দায় নিয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!