জয়কে সাত দিনের আলটিমেটাম, ক্ষমা না চাইলে যে কারণে জয়ের বিরুদ্ধে মামলা করবেন নায়ক মান্নার স্ত্রী – OnlineCityNews
Breaking News
Home / বিনোদন / জয়কে সাত দিনের আলটিমেটাম, ক্ষমা না চাইলে যে কারণে জয়ের বিরুদ্ধে মামলা করবেন নায়ক মান্নার স্ত্রী

জয়কে সাত দিনের আলটিমেটাম, ক্ষমা না চাইলে যে কারণে জয়ের বিরুদ্ধে মামলা করবেন নায়ক মান্নার স্ত্রী

Advertisement
Advertisement

চ্যানেল আইয়ের ‘জীবনের গল্প’ নামক একটি অনুষ্ঠানে বিমানের কেবিন ক্রুদের নিয়ে আ’পত্তিকর প্রশ্ন করায় অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়কে জনসম্মুখে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বললেন ঢাকাই ছবির প্রয়াত সুপারস্টার নায়ক মান্নার স্ত্রী শেলী মান্না।

এমনকি আগামী সাতদিনের মধ্যে জয় ক্ষমা না চাইলে তার বি’রুদ্ধে মা’মলা করবেন বলেও জানান প্রয়াত নায়কের স্ত্রী। শেলী তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, এয়ারলাইন্সে চাকরি করা বিমানের ক্রুদের অ’পমান করার জন্য জয়কে জনসম্মুখে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। তার বি’রুদ্ধে ক্ষো’ভ প্রকাশ করে ফেসবুকে বিশদ এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন শেলী।

সেখানে তিনি বলেন, লাইভ অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এসেছিলেন বিমানের সাবেক ক্যাপ্টেন মোশতাক। আপনি সেই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছিলেন। আপনি এভিয়েশন নিয়ে অনেক প্রশ্ন করেছেন। একজন সম্মানীয় ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ করে তার জীবনবৃত্তান্ত, পেশাগত দক্ষ’তা ও কর্মময় জীবন সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন স্বাভাবিক নিয়মেই।

তারপর আপনি-আপনার চিরাচরিত অভ্যাসের দরুণ অপ্রাসঙ্গিকভাবে কেবিন ক্রুদের সঙ্গে ক্যাপ্টেনদের প্রণয়ঘটিত ব্যাপার থেকে শুরু করে বিদেশ থেকে জিনিসপত্র এনে বিক্রি প্রসঙ্গেও প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন, যা অত্যন্ত আ’পত্তিকর! ক্যাপ্টেন মোশতাক অত্যন্ত সজ্জন ও অমায়িক ব্যক্তি, বিধায় তিনি এর উত্তরে একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

তার পরিপ্রেক্ষিতে আমি একটি কথাই বলতে চাই– এ জগতে হায়, সেই বেশি চায় আছে যার ভূরি ভূরি! কেবিন ক্রু সম্প্রদায় তাদের বৈধ আয় দিয়ে সচ্ছলভাবে জীবনযাপন করে আসছেন। কিছুটা টানাপোড়েন তো পৃথিবীর সব সেক্টরেই চলমান রয়েছে। কোনো সেক্টরই এর ঊর্ধ্বে নয়। নইলে তো পৃথিবী জান্নাতময় হতো। ভালো শব্দের পাশাপাশি মন্দ বলে কোনো শব্দ থাকত না।

আমা’র মনে হয়, এভিয়েশন সম্পর্কে আপনি কোনো ধারণা রাখেন না। নইলে এ ধরনের কোনো অবান্তর প্রশ্ন করতে পারতেন না। কেবিন ক্রুদের একটা ভালো শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হয়। নইলে কঠিনতম ট্রেনিংগুলোতে তারা উত্তীর্ণ হতে পারত না। সেমি টেকনিক্যাল বি’ষয়ে ট্রেনিংয়ে ৮৪ পারসেন্ট মার্ক নিয়ে তাদের উত্তীর্ণ হতে হয়।

পাশাপাশি অন্যান্য বি’ষয় নিয়ে প্রচুর পড়াশোনা করতে হয়। সারা বছর পড়াশোনা, ট্রেনিং ও ব্রিফিংয়ের মধ্যে থাকতে হয়। পাশাপাশি ক্যাবের (CAAB) নিয়মিত চেক, বিদেশেও প্রতিনিয়ত এসব চেকের মধ্যে পড়তে হয়। লাইসেন্সের ন্যায় সার্টিফিকে’টে প্রতি বছর প্রচুর পড়াশোনা করে ট্রেনিংয়ে উত্তীর্ণ হয়ে এর রিনিউ করতে হয়। না হলে কেউ ফ্লাইট অপারেট করতে পারবে না।

অজানা বি’ষয়গুলো আপনার জ্ঞাত হওয়ার জন্য পেশ করলাম। এয়ারলাইনম একটি টিমওয়ার্ক। এখানে প্রত্যেকটি ডিপার্টমেন্ট এমনকি ক্লিনার সেকশনও সমভাবে প্রয়োজনীয় ও জরুরি। না হলে কোনো ফ্লাইট উড্ডয়ন করতে পারবে না। জয়ের সমালোচনা করে প্রয়াত নায়কের স্ত্রী আরো লেখেন, আপনি এ দেশের শিল্পীসমাজকেও চ’রমভাবে হেয় করেছেন।

যারা এ দেশের সাংস্কৃতিক জগৎকে সমৃদ্ধ করে এ দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন, তাদেরও আপনার অনুষ্ঠানে অশালীন প্রশ্নে জর্জরিত করেছেন। মৌসুমী-শাবনূর থেকে শুরু করে শিল্পী সমিতিকেও ন্যূনতম সম্মান দেখাননি। অথচ আপনি একজন শিল্পী! ভাবতেও অবাক লাগে। আম'রা অত্যন্ত রক্ষণশীল সমাজে বাস করি। তাই এ ব্যাপারে আপনার প্রচণ্ড সৌজন্যবোধ ও সীমা’রেখা থাকা উচিত ছিল।

বিমানবালা শেলী সবশেষে জয়কে সীমা ল’ঙ্ঘনকারী উল্লেখ করে লেখেন, কেবিন ক্রুদের জীবনযাপনে প্রচণ্ড সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আইনের বাইরে কাজ করার কোনো বিধান এখানে নেই। কেবিন ক্রুরা পেশাগত কারণে নিদ্রাহীনভাবে প্রতিনিয়ত ঝুঁ’কির জীবন নিয়ে জাতীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইনসকে নিয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন, দেশের সেবা করছেন।

তারা পারিবারিকভাবে প্রতিটি মুহূর্ত থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এমনকি প্রিয়জনের অ’সুস্থতা ও মৃ’ত্যুর সময়ে পাশে থাকতে পারেন না। এমন একটি সম্মানজনক ও রিস্কি পেশার সম্প্রদায়কে আপনি কোন যুক্তিতে ও সাহসে অবমাননা করলেন? আপনার ধারণা থাকা উচিত যে, মানুষের কথায়, প্রশ্নে, যুক্তিতে, আচার-ব্যবহারে এবং চিন্তা-ভাবনায় একটি শালীনতা ও সীমা’রেখা থাকা উচিত।

কোনো অবস্থাতেই সীমা ল’ঙ্ঘনকারীকে প্রশ্রয় দেয়া উচিত নয়।থাকা উচিত। কোনো অবস্থাতেই সীমা ল’ঙ্ঘনকারীকে প্রশ্রয় দেয়া উচিত নয়। এর আগে অনুষ্ঠানে ডেকে অতিথিদের ‘আ’পত্তিকর’ প্রশ্ন করার অ’ভিযোগ তুলে অভিনেতা-উপস্থাপক জয়কে নোটিশ পাঠিয়েছিল চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। এ বি’ষয়ে শেলী বলেন, আপনি এ দেশের শিল্পীসমাজকেও চ’রমভাবে হেয় করেছেন।

যারা এ দেশের সাংস্কৃতিক জগৎকে সমৃদ্ধ করে এ দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন, তাদেরও আপনার অনুষ্ঠানে অশালীন প্রশ্নে জর্জরিত করেছেন। মৌসুমী-শাবনূর থেকে শুরু করে শিল্পী সমিতিকেও ন্যূনতম সম্মান দেখাননি। অথচ আপনি একজন শিল্পী! ভাবতেও অবাক লাগে। আম'রা অত্যন্ত রক্ষণশীল সমাজে বাস করি। তাই এ ব্যাপারে আপনার প্রচণ্ড সৌজন্যবোধ ও সীমা’রেখা থাকা উচিত ছিল।

Advertisement
Advertisement

Check Also

সবই ছিল ঠিকঠাক তবুও ভেস্তে গেল বিয়ে! ঐন্দ্রিলাকে বিয়ের প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অঙ্কুশ

Advertisement টলি পাড়ার অন্যতম রোমান্টিক জুটি অঙ্কুশ এবং ঐন্দ্রিলা। এই পাওয়ার কাপল এক ওপরের সাথে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!