সুশান্তের ঘরে কোন ফ্যান ছিল না, তাহলে কীভাবে সিলিং থেকে ঝুলছিলেন? তদন্তে বেড়িয়ে এলো নতুন তথ্য – OnlineCityNews
Breaking News
Home / বিনোদন / সুশান্তের ঘরে কোন ফ্যান ছিল না, তাহলে কীভাবে সিলিং থেকে ঝুলছিলেন? তদন্তে বেড়িয়ে এলো নতুন তথ্য

সুশান্তের ঘরে কোন ফ্যান ছিল না, তাহলে কীভাবে সিলিং থেকে ঝুলছিলেন? তদন্তে বেড়িয়ে এলো নতুন তথ্য

Advertisement
Advertisement

ক্রমশ জটিল হচ্ছে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃ’ত্যু ত’দন্ত! প্রতিদিন সামনে আসছে নয়া তথ্য! ত’দন্তের কিনারা করতে সুশান্তের সংস্পর্শে আসা নানা মানুষজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ত’দন্তকারী দল! এবার মুখ খুললেন সেই অ্যাম্বুল্যান্স চালক যিনি সুশান্তের মৃ’তদে’হ তাঁর বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে কুপার হাসপাতা’লে নিয়ে যান।

অক্ষয় ভান্ডগর নামে সেই অ্যাম্বুল্যান্স চালক ইতিমধ্যেই দাবি করেছেন, আ’ত্মহ’ত্যায় মৃ’ত্যু হয়েছে এমন বহু দে’হ তিনি দেখেছেন! সেই অ’ভিজ্ঞতা থেকেই তাঁর ব’দ্ধমূল ধারনা, আ’ত্মহ’ত্যা নয়, খু’ন করা হয়েছে সুশান্তকে। এবার তিনি যা বললেন তা চমকে দেওয়ার মত! ১৪ জুন মুম্বই পু’লিশ জানায়, বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে উ’দ্ধার হয় সুশান্ত সিং রাজপুতের ঝুলন্ত দে’হ ।

খবরে প্রকাশিত হয়, সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলছিল সুশান্তের দে’হ! কিন্তু অ্যাম্বুল্যান্স চালক জানান, সুশান্তের ঘরে কোনও সিলিং ফ্যান-ই ছিল না! অ্যাম্বুল্যান্স চালক অক্ষয় ভান্ডগর জানান, যখন অ্যাম্বুল্যান্স পৌঁছায়, সুশান্তের দে’হ সাদা কাপড়ে মোড়া হয়ে গিয়েছিল। ঘটনাস্থলে ছিল মুম্বই পু’লিশ। অ্যাম্বুল্যান্সের কর্মীরা অ’ভিনেতার ঘর থেকে দে’হ স্ট্রেচারে করে নামিয়ে গাড়িতে তোলেন।

উল্লেখ্য, পু’লিশের ভূমিকা নিয়ে সুশান্ত অনুরাগীরা ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলছেন! তাঁদের বক্তব্য, ” আ’ত্মহ’ত্যার ক্ষেত্রে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরাই ঝুলন্ত দে’হ উ’দ্ধার করতে পারেন। এক্ষেত্রে তা হয়নি। কাজেই, মুম্বই পু’লিশ যে প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা করেনি, সেটা কে হলফ করে বলতে পারে?’

অ্যাম্বুল্যান্স চালক অক্ষয় ভান্ডগর জানান, সুশান্ত সিং রাজপুতের গোটা দে’হ হলুদ হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, সাধারণত কেউ আ’ত্মহ’ত্যা করলে, শরীর হলদে হয় না। যদিও বা হয়, আগাগোড়া দে’হ কখনওই হলদে হয় না। সুশান্তের হাঁটু মোড়া ছিল। তাঁর ভাষায়, ” আ’ত্মর’ক্ষার জন্য যখন কেউ হাত-পা চালান, লাথি মা’রার চেষ্টা করেন, তখন তাঁর পা যেভাবে মোড়া থাকে, সেভাবে মোড়া ছিল সুশান্ত সিং রাজপুতের পা।”

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ” যে মানুষ সিলিং থেকে ঝুলে আ’ত্মহ’ত্যা করেছেন, তাঁর পা মোড়া থাকবে কেন? কীভাবেই বা তা সম্ভব ?”অ্যাম্বুল্যান্স চালক অক্ষয় ভান্ডগর জানান, সুশান্তের পায়ের নানা জায়গা থেঁতলে গিয়েছিল। তাঁর প্রশ্ন, ” গলায় ফাঁ’স লাগিয়ে ঝুললে গোটা শরীরে র’ক্ত জমাট বাঁধার দাগ থাকে।

সুশান্তের ক্ষেত্রে তেমনটা ছিল না। শুধুমাত্র পায়ের নানা স্থানে দগদগে ক্ষত ছিল! এ’টা কীভাবে সম্ভব ? দেখে মনে হচ্ছিল কেউ খুব জোরে পায়ে আগাত করেছে।” থাকতে পারে না! মনে হচ্ছিল কেউ যেন পায়ে মেরেছে। অ্যাম্বুল্যান্স চালক অক্ষয় ভান্ডগর জানান, সুশান্তের গলায় একটা ইংরেজি হরফ ‘0’-এর মত দাগ ছিল।

কিন্তু কেউ যদি গলায় ফাঁ’স লাগিয়ে আ’ত্মহ’ত্যা করেন, তবে গোটা গলাজুড়ে দাগ থাকে। ‘হতে পারে হয়তো গলায় ফাঁ’স লাগিয়ে শ্বা’সরোধ করা হয়েছে সুশান্তের, তারপর হয়তো তাকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। গলায় ফাঁ’স লাগিয়ে ঝুললে মুখ দিয়ে গেঁজলা বের হবে, সুশান্তের ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি।

Advertisement
Advertisement

Check Also

আলোচিত বিয়ে: হুমায়ূন আহমেদ, রেলমন্ত্রী থেকে মাহিয়া মাহি

Advertisement তারকাদের বিয়ে এমনিতেই সবার নজর কাড়ে৷ সংবাদমাধ্যম ব্যস্ত হয়ে পড়ে৷ তবে পাত্র বা পাত্রীর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!