ব্রেকিং নিউজঃ অবশেষে জানা গেলো কিসের জন্য সুশান্তকে আত্মহ’ত্যায় বাধ্য করেছিলেন রিয়া – OnlineCityNews

ব্রেকিং নিউজঃ অবশেষে জানা গেলো কিসের জন্য সুশান্তকে আত্মহ’ত্যায় বাধ্য করেছিলেন রিয়া

সুশান্ত সিং রাজপুতের বাবা এফ’আইআর দায়ের করার পরপরই রিয়া চক্রবর্তী এবং তাঁর পরিবারের বি’রুদ্ধে ত’দন্ত শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিহার পু’লিশ। ত’দন্তের স্বার্থে বিহার পু’লিশের একটি দল মুম্বাইতে রওনা দিয়েছে। ব্য়ান্দ্রা ডিসিপির সঙ্গে কথা বলেই এরপর শুরু হবে ত’দন্ত। সুশান্ত সিং রাজপুতের বাবা কে কে সিং এফআইআর দায়ের করার পরই বিহার পু’লিশের ৪ জনের একটি দল মুম্বাইতে রওনা দেয়।

এফআইআরে সুশান্তের বাবা অ’ভিযোগ করেন, তাঁর ছেলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে রিয়া ১৫ কোটি রুপি সরিয়েছেন। এমনকী, সুশান্তের ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ডও রিয়া ব্যবহার করে অর্থ ব্যবহার করতেন বলে অ’ভিযোগ করেন কে কে সিং। সুশান্তের বাবার অ’ভিযোগের ভিত্তিতে মুম্বাইয়ের ব্যাঙ্কে গিয়ে ত’ল্লাশি করবে বিহার পু’লিশ। পাশাপাশি ব্যান্দ্রা পু’লিশের ডিসিপির সঙ্গেও বিহার পু’লিশের ওই দলটি দেখা করবে বলে জানা যায়।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রিয়া চক্রবর্তীর বি’রুদ্ধে আ’ত্মহ’ত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অ’ভিযোগ দায়ের করেন সুশান্তের বাবা। রিয়ার বি’রুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪১,৩৪২,৩৮০,৪০৬ এবং ৩০৬ ধারায় অ’ভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কে কে সিংয়ের অ’ভিযোগ দায়েরের পরপরই অর্ন্তবর্তী জা’মিনের আবেদন করেন রিয়া চক্রবর্তী। দুঁদে আইনজীবী সতীশ মানশিন্ডে রিয়ার হয়ে মাম’লা লড়ছেন বলে জানা গেছে।

গত ১৪ জুন বান্দ্রায় নিজের ফ্ল্যাট থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুতের দে’হ’। প্রাথমিক ত’দন্তে পু’লিশ জানায়, তিনি আ’ত্মহ’ত্যা করেছেন। আ’ত্মহ’ত্যার কারণ অ’নুস’ন্ধানের জন্য এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪০ জনকে জেরা করেছে মুম্বাই পু’লিশ। এদের মধ্যে রিয়া ছাড়াও রয়েছেন পরিচালক মহেশ ভাট, সঞ্জয়লীলা বানসালিসহ বলিউডের নামজাদা ব্যক্তিরা।

তবে সুশান্তের বাবার অ’ভিযোগ কেবলমাত্র রিয়ার দিকেই। তিনি তার ছেলের প্রেমিকার বি’রুদ্ধে বেশ কিছু অ’ভিযোগ এনেছেন। তারমধ্যে প্রেমের ফাঁ’দে ফেলে অর্থ আ’ত্মসা’ৎ, নানা রকম হু’মকি দিয়ে আ’ত্মহ’ত্যায় প্ররোচিত করার অ’ভি’যোগও রয়েছে।

সুশান্তের বাবার দাবি, রিয়া বুঝতে পেরে গিয়েছিলেন যে সুশান্তের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ দিন দিন কমছে। এরপর ৮ জুন নগদ অর্থ, অলংকার, ল্যাপটপ, ক্রেডিট কার্ড, পিন নম্বর, পাসওয়ার্ড, গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাগজ এবং চিকিৎসকের রশিদ নিয়ে চলে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *