৩২ বার ফেল করে অবশেসে যেভাবে ম্যাট্রিক পাস করলেন বৃদ্ধ – OnlineCityNews
Breaking News
Home / শিক্ষা / ৩২ বার ফেল করে অবশেসে যেভাবে ম্যাট্রিক পাস করলেন বৃদ্ধ

৩২ বার ফেল করে অবশেসে যেভাবে ম্যাট্রিক পাস করলেন বৃদ্ধ

Advertisement

এ যেন এক আদু ভাইয়ের গল্প। কিন্তু এই আদু ভাই ব্যর্থ হয়ে পৃথিবী থেকে চলে যাননি। সফলতা তার হাতে ধ’রা দিয়েছে। বলা হচ্ছে ভারতের হায়দারাবাদের নুরুদ্দিনের কথা। বত্রিশ বার ম্যাট্রিক পরীক্ষায় ফেল করার পরও অদম্য ছিলেন এই প্রৌঢ়। শেষে পর্যন্ত তেত্রিশ বছরের তাঁর অধ্যাবসায় ফল দিল, পাস করে গেলেন ম্যাট্রিকে।

হায়দরাবাদের নুরুদ্দিন সেই ১৯৮৭ সাল থেকে দশম শ্রেণির পরীক্ষায় বসা শুরু করেছিলেন। কিন্তু সেই যাত্রা যেন কোনও ভাবেই শেষ আর হচ্ছিল না। কিছুতেই পাশ করতে পারছিলেন না ম্যাট্রিক, প্রতিবারই ইংরেজির বাধা টপকানো সম্ভব হচ্ছিল না তাঁর পক্ষে। কিন্তু এবার তিনি তিনি নিজেকে ম্যাট্রিক পাস বলতে পারেন।

এত দিন মহম্মদ নুরুদ্দিন সরাসরি পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। কিন্তু এই বছরই তিনি ওপেন এগজামিনেশনে বসেন। এর জন্য তাঁকে তিন হাজার টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি-ও দিতে হয়। তবে সম্ভবত করো’নাই তাঁর এই হার না মানা পণ শেষ পর্যন্ত সাফল্যের মুখ দেখাল। করো’নার অতিমারির জেরে এ বছর দশম শ্রেণিরও পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি তেলাঙ্গানায়।

সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, সবাইকে পাশ করিয়ে দেওয়া হবে। আর গত ৩২ বছরে যা হয়নি এবার তা হয়ে গেল, পাশের তালিকায় নাম উঠে গেল ৫১ বছরে মহম্মদ নুরুদ্দিনেরও। করো’নার কারণেই নুরুদ্দিন পাস করে গেলেন কিনা সে প্রশ্ন থাকলেও, এত বছর ধরে যে তিনি চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন, তাঁর সেই লড়াইকে সম্মান জানিয়েছেন নেটিজেনরা।

শেষ পর্যন্ত পাস করতে পেরে তিনি বেজায় খুশি বলে জানিয়েছেন নুরুদ্দিন। আর এর জন্য তেলাঙ্গানার কেসিআর সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। এমন বেশি বয়সে ম্যাট্রিক পাস করার ইতিহাস আগেও তৈরি হয়েছে। ২০১৬ সালে ৭১ বছরের ভারতের শিবচরণ যাদব নামে রাজস্থানের এক ব্যক্তি ৪৬ বার অকৃতকার্য হওয়ার পর শেষে ৪৭তম বারে দশম শ্রেণির পরীক্ষা পাস করেন।

Advertisement
Advertisement

Check Also

দৈনিক ২০ থেকে ২২ ঘণ্টা কাজ করি, মাত্র ২ ঘণ্টা ঘুমাই : কলিমউল্লাহ

Advertisement দায়িত্বে অবহেলা করাটা চরিত্রের মধ্যে নেই বলে দাবি করেছেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!