মারা গিয়েও যেভাবে প্রাণ বাঁচালেন আট জনের – OnlineCityNews
Breaking News
Home / সারা দেশ / মারা গিয়েও যেভাবে প্রাণ বাঁচালেন আট জনের

মারা গিয়েও যেভাবে প্রাণ বাঁচালেন আট জনের

Advertisement
Advertisement

সকলের জন্য সকলে আম'রা, প্রত্যেকে আম'রা পরের তরে। এ কথাটি মেনে চলা আমা’দের জন্য সব সময় সম্ভব হয় না। তবে কেউ কেউ আসলেই মানুষের জন্য কাজ করে যান। ভারতের কেরালের যুবক অনুজিথ এমনই একজন মানুষ ছিলেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময় সূত্রে জানা গেছে, মাত্র ২৭ বছর বয়সেই মোটরসাইকেল দুর্ঘ’টনায় প্রাণ হারান অনুজিথ। তবে তিনি আর দশটা মানুষের মত সাধারণ নয় তাই তার মৃ’ত্যু নিয়ে এত তোলপাড়। কারণ, এই ছোট জীবনে তিনি বাঁচিয়ে গিয়েছেন কয়েকশ প্রাণ। এমনকি মৃ’ত্যুর পরও তিনি আটজনকে নতুন জীবন দিয়ে গিলেন।

গত ১৪ জুলাই কেরালার কোট্টারকারা এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘ’টনায় আ’হত হন অনুজিথ। এরপর তাকে চিকিৎসার জন্য তিরুবনন্তপূরমে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। অনুজিথের ব্রেন ডেড ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কিন্তু মৃ’ত্যুর আগেই অনুজিথ স্ত্রী ও বোনকে তার অঙ্গদানের ইচ্ছের কথা জানিয়ে গিয়েছিলেন।

সেই অনুযায়ী অনুজিথের হৃদপিন্ড, কিডনি, অন্ত্র, চোখ, লিভার, ও হাত অন্যের শরীরের প্রতিস্থাপন করা হয়। জানা গেছে, ৫৫ বছর বয়সী সানি থমাস নামে একজনের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে অনুজিথের হৃদপিন্ড। নতুন জীবন পেয়েছেন সানি থমাস। আর এভাবেই এই পৃথিবীতে না থেকেও রয়ে গেলেন অনুজিথ।

উল্লেখ্য, বেঁচে থাকাকালীন অনুজিথ বাঁচিয়েছেন কয়েকশো মানুষের প্রাণ। জানা গেছে, দশ বছর আগে কিশোর থাকা অবস্থায় একদিন বন্ধুরা মিলে কোথাও যাওয়ার সময় হঠাত্‍‌ লক্ষ করেন, রেললাইনে ফাটল। রেলের আধিকারিকদের চোখে তা তখনো ধ’রা পড়েনি। ফলে সিগন্যাল খোলা দেখে ছুটে আসতে থাকে একটি যাত্রীবাহী ট্রেন।

অবস্থা বেগতিক বুঝে অনুজিত ও তার বন্ধুরা মিলে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ওই রেললাইনেই উঠে পড়েন। এরপর পিঠের লাল ব্যাগ তুলে ধরে ইশারা করতে থাকেন ট্রেনের চালককে। বিপদ বুঝতে পেরে ট্রেন থামিয়ে দেন চালক। রক্ষ পায় প্রায় কয়েকশো প্রাণ। এভাবেই নিজের জীবন ও মৃ’ত্যু দিয়ে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেলেন কেরালার এই যুবক।

Advertisement
Advertisement

Check Also

বিয়ের ১১ দিন পর নববধূকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে

Advertisement Advertisement মাত্র ১১ দিন আগে ধূমধাম করে বিয়ে হয়েছিল নূরন্নাহার খাতুনের (১৯)। শ্বশুরবাড়িতে এক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!