কিভাবে বুঝবেন আপনার রক্ত শূন্যতা আছে? – OnlineCityNews
Breaking News
Home / বাংলা টিপস / কিভাবে বুঝবেন আপনার রক্ত শূন্যতা আছে?

কিভাবে বুঝবেন আপনার রক্ত শূন্যতা আছে?

Advertisement
Advertisement

আপাত দৃষ্টিতে র’ক্ত স্বল্পতাকে খুব বড় কোনও রোগ বলে মনে না হলেও, যে কোন বড় রোগের শুরু হতে পারে এই র’ক্ত স্বল্পতা থেকেই। তাই শুরু থেকেই র’ক্ত স্বল্পতাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিৎ।একজন পূর্ণবয়স্ক নারীদের জন্য র’ক্তে হিমোগ্লোবিন ১২.১ থেকে ১৫.১ গ্রাম/ডেসিলিটার, পুরুষের র’ক্তে ১৩.৮ থেকে ১৭.২ গ্রাম/ডেসিলিটার, শিশুদের র’ক্তে ১১ থেকে ১৬ গ্রাম/ডেসিলিটার থাকা স্বাভাবিক।কারও র’ক্তে হিমোগ্লোবিন এর চেয়ে কমে গেলে তিনি র’ক্ত স্বল্পতায় আক্রান্ত বলেই মনে করা হয়। এ বার র’ক্ত স্বল্পতার লক্ষণগুলি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।র’ক্ত স্বল্পতার লক্ষণ-

র’ক্ত স্বল্পতা হলে রোগী অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠেন। সামান্য কাজ করলেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন।অনেক সময় রোগীর শরীরের বিভিন্ন অংশের ত্বক ফ্যাকাশে হতে থাকে।আয়রনের অভাবে র’ক্ত স্বল্পতা হতে পারে। এই আয়রনের অভাবে অ’তিরিক্ত চুল ঝরে যেতে শুরু করে।র’ক্ত স্বল্পতায় আক্রান্তকে বিষণ্ণতায় ভুগতে দেখা যায়। সারাক্ষণ দুর্বলতা এবং মাথাব্যথা হওয়ার কারণে রোগীকে বিষণ্ণতা গ্রাস করে।এ ছাড়াও র’ক্ত স্বল্পতার আর একটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণ হল, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া। র’ক্ত স্বল্পতার কারণে হৃৎপিণ্ড পর্যাপ্ত পরিমাণে র’ক্ত দেহে সঞ্চালনের জন্য পাম্প করতে পারে না। ফলে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়।

কেন হয় র’ক্ত স্বল্পতা—

পুষ্টিহীনতা এবং শরীরে আয়রন এবং ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতি।দীর্ঘদিন ধরে যারা ব্যথার ওষুধ সেবন করেন, তারাও র’ক্তাল্পতায় ভোগেন।থ্যালাসেমিয়াসহ কিছু জন্মগত রোগে আক্রান্তরা র’ক্তাল্পতায় ভোগেন।পাকস্থলী ও অন্ত্রের ক্ষত বা আলসারের কারণে ক্রমাগত বমি বা পায়খানার সঙ্গে র’ক্তক্ষরণ হওয়া, অন্ত্রে কৃমির সংক্রমণ বা অর্শরোগে (পাইলস) রোগীর অ’তিরিক্ত র’ক্তপাতের কারণেও র’ক্তাল্পতা হতে পারে।

র’ক্ত স্বল্পতা প্রতিকারের উপায়—

শরীরে আয়রনের ঘাটতিজনিত কারণে র’ক্ত স্বল্পতা হলে আয়রনযুক্ত খাবার খেতে হবে। র’ক্ত স্বল্পতায় অনেকে আয়রন ট্যাবলেট খেয়ে থাকেন। তবে ইচ্ছামতো আয়রন ট্যাবলেট না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শমতো আয়রন খাওয়াই ভালো।কিছু পুষ্টিকর খাবার আছে যা খাওয়ার মাধ্যমে কোনও ওষুধ ছাড়াই র’ক্ত স্বল্পতা  দূর করা সম্ভব। যেমন- দুধ, শাক-সবজি, মধু, বিভিন্ন ফল ইত্যাদি। যারা ফল খেতে ভালবাসেন না তারা প্রাণিজ উৎস থেকে পাওয়া আয়রন খুব সহজেই শরীরের কাজে লাগাতে পারেন।নারীদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় এবং শিশুকে স্তন্যপান করানোর সময় শরীরে আয়রনের ঘাটতি হওয়ার আশ’ঙ্কা থাকে। তাই এ সময় আয়রন সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খাওয়া দরকার। এর পাশাপাশি আয়রন সমৃদ্ধ ওষুধও খেতে পারেন। সূত্র: জি ২৪ ঘণ্টা।

Advertisement
Advertisement

Check Also

আপনি জানেন কি কচুর লতি আমাদের কি উপকার করে

Advertisement Advertisement আমা’দের দেশে নানা ধরনের কচু পাওয়া যায়। পানি কচু, মুখি কচু, কচুর লতি, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!