Breaking News
Home / বাংলা টিপস / আসুন জানি মাথার উকুন দূর করার সহজ পদ্ধতি

আসুন জানি মাথার উকুন দূর করার সহজ পদ্ধতি

Advertisement
Advertisement

চুলে উকুনের সমস্যা যেমন অস্বস্তিকর, তেমনি চুলকানির কারণে একটি বির’ক্তিকর বিষয়ও বটে। মাথায় উকুন আসার পর ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ডিম পাড়ে। এর পর ১০ দিন সময় লাগে উকুন বড় হতে। একসঙ্গে ডিম থেকে উকুন হওয়ার কারণে অনেক দ্রুত চুলে উকুন ছড়িয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে যতই উকুননাশক প্রসাধনী ব্যবহার করেন, উকুন বারবার ফিরে আসে। আর এই প্রসাধনীতে নানা ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য থাকার কারণে চুলেরও মা’রাত্মক ক্ষতি হয়। ঘরোয়া উপায়ে মাত্র ১৫ মিনিটেই আপনি উকুনের সমস্যার সমাধান করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে উইকি হাউ ওয়েবসাইটের দেওয়া এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।এসেনশিয়াল অয়েল, যেমন—টি ট্রি অয়েল, ল্যাভেন্ডার অয়েল ও মৌরির তেল উকুন দূর করতে বেশ কার্যকর। ভেজিটেবল অয়েলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে ও চুলে লাগান। এবার একটি তোয়ালে দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন। এক ঘণ্টা পর ভালো করে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, চুলের উকুন একেবারেই দূর হয়ে যাবে।

মাথার তালু ও চুলে মেয়োনেজ বা মাখন অথবা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে চুল ঢেকে সারা রাত এভাবে রেখে দিন। সকালে বেবি অয়েল দিয়ে চুল ম্যাসাজ করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, চুলের উকুন ও উকুনের ডিম সহজেই দূর হবে।সমান পরিমাণ পানি ও ভিনেগার একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগান। এবার এই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে উকুন মরে যাবে। আপনি চাইলে ভিনেগারের সঙ্গে অলিভ অয়েলও মিশিয়ে নিতে পারেন।প্রথমে চুল পানি দিয়ে ভিজিয়ে কন্ডিশনার লাগান। এবার চিকন চিরুনি দিয়ে মাথার ত্বক থেকে চুলের আগা পর্যন্ত আঁচড়ান। কয়েকবার এভাবে ভেজা চুল আঁচড়ান। দেখবেন, মাথার উকুন অনেকটা দূর হবে।

বাজারের উকুননাশক প্রসাধনী চুলে ব্যবহার করবেন না। এটি চুলের জন্য এবং আপনার স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর।সব সময় পরিষ্কার বালিশের কভার ব্যবহার করবেন। চিরুনি ও কেশসজ্জার সামগ্রী সাবান মেশানো গরম পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করুন।অন্যের তোয়ালে বা ক্যাপ ব্যবহার করবেন না। এমনকি অন্যের চিরুনিও ব্যবহার করবেন না। কারণ, এতে আপনার মাথায় উকুনের বংশবিস্তার হতে পারে।

Advertisement
Advertisement

Check Also

আপনি জানেন কি কচুর লতি আমাদের কি উপকার করে

Advertisement Advertisement আমা’দের দেশে নানা ধরনের কচু পাওয়া যায়। পানি কচু, মুখি কচু, কচুর লতি, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!