যেসব নিয়ম রেড জোনে মানতে হবে জানা গেল – OnlineCityNews
Breaking News
Home / করোনা নিউজ / যেসব নিয়ম রেড জোনে মানতে হবে জানা গেল

যেসব নিয়ম রেড জোনে মানতে হবে জানা গেল

Advertisement

করো’নাভাই’রাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ আধিক্য থাকা এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে তা লকডাউন করে দেবে সরকার। রেড জোনে সবাইকে ঘরে থাকতে হবে, একান্ত প্রয়োজন না থাকলে কেউ বাইরে বের হতে পারবেন না। ওই এলাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় যেসব জিনিসের দরকার হবে তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে। আগামীকাল রোববার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে

ঢাকার কিছু স্থানে জোনিং ব্যবস্থার মাধ্যমে লকডাউন শুরু হবে। সারাদেশে পুরোদমে চালু হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে এসব কথা জানা গেছে। এ জন্য সরকার একটি পরিকল্পনাও প্রস্তুত করেছে।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, বেশি আ’ক্রান্ত এলাকাকে রেড, অ’পেক্ষাকৃত কম আ’ক্রান্ত এলাকাকে ইয়োলো ও একেবারে কম আ’ক্রান্ত বা

আ’ক্রান্তমুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। রেড জোনকে লকডাউন করা হবে, ইয়োলো জোনে যেন আর সংক্রমণ না বাড়ে সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে। সতর্কতা থাকবে গ্রিন জোনেও। রেড জোনে সরকার কী’ করবে? জানতে চাইলে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অ’তিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ও করো’না সংক্রান্ত মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান খান জাগো

নিউজকে বলেন, ‘যে এলাকা রেড জোন ঘোষণা করা হবে, সেই এলাকা সম্পূর্ণ ব্লক রাখা হবে। সেই এলাকায় কেউ ঢুকবেও না, কেউ বেরও হবে না। ওই এলাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় যেসব জিনিসের দরকার হবে তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে।’ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, রেড জোনে শুধু ফার্মেসি, হাসপাতা’ল, নিত্যপণ্যের দোকান ছাড়া সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রতিটি

রেড জোনে স্বেচ্ছাসেবক টিম থাকবে, জনপ্রতিনিধিরা সম্পৃক্ত থাকবেন এসব টিমে। স্বেচ্ছাসেবক টিমের মাধ্যমে আ’ক্রান্ত রোগীদের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়া ও মনিটরিংয়ের কাজ করা হবে। আ’ক্রান্ত রোগীকে আইসোলেশনে রাখা এবং আ’ক্রান্ত রোগীর পরিবারকে কোয়ারেন্টাইনে রাখাও নিশ্চিত করা হবে। সর্বোচ্চ তিন সপ্তাহের

জন্য লকডাউন করা হবে। রেড জোনে থাকা মানুষ যাতে বাইরে যেতে না পারে এবং বাইরের লোকজন যাতে সেখানে ঢুকতে না পারে সে জন্য প্রবেশ ও বের হওয়ার সড়কের মুখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেবেন। রেড জোনে থাকা বাসিন্দাদের মধ্যে যাদের করো’না উপসর্গ দেখা দেবে তাদের নমুনা সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার

করা হবে। রোগী বেশি হলে একাধিক বুথ স্থাপন করা হবে। নমুনা সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক দক্ষ টেকনোলজিস্ট নিয়োগ দেয়া হবে। তাদেরও রেড জোন থেকে বের হতে দেয়া হবে না। নমুনা সংগ্রহ কেন্দ্র বা পাশে থাকা আবাসিক হোটেলে টেকনোলজিস্টদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট সময় কোয়ারেন্টাইনে থাকার পর তাদের রেড জোন থেকে বের হতে হবে।

Advertisement
Advertisement

Check Also

অবশেষে ভে’ঙ্গেই গেলো ভাইরাল হওয়া প্রবাসীর স্ত্রী’র সংসার

Advertisement Advertisement স্বা’মী প্রবাসে থাকার সুযোগে স্ত্রী জড়িয়ে পড়লো প’রকী’য়া প্রে’মে। আর সেই প’রকী’য়া প্রে’মিকের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!