জীবনের উপরে আস্থা হারিয়েছিলেন, সন্তানের মুখ চেয়ে ফিরেছেন কাজে! বিস্ফোরক ববি দেওল – OnlineCityNews

জীবনের উপরে আস্থা হারিয়েছিলেন, সন্তানের মুখ চেয়ে ফিরেছেন কাজে! বিস্ফোরক ববি দেওল

শুরুটা ছিল খুব ঠিকঠাক! ১৯৯৫ সালে একেবারে হিসেব মেনে বলিউডের রুপোলি পর্দায় দেখা দিয়েছিলেন এক আনকোরা রোম্যান্টিক নায়ক। ছবির নাম ছিল বরসাত (Barsaat)।

নিঃসন্দে’হেই নেপথ্যে ছিল দেশের প্রথম সারির জনপ্রিয় নায়ক বাবা ধ’র্মেন্দ্র (Dharmendra) এবং দাদা সানি দেওলের (Sunny Deol) প্রভাব। কিন্তু স্টার কিড হলেই যে বলিউডে পায়ের তলার জমি শক্ত থাকে না, তা আমর’া আজ ববি দেওলকে (Bobby Deol) দেখে বুঝে গিয়েছি।

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে কোনও লুকোছাপা না করে কেরিয়ার এবং তার ব্য’র্থতা নিয়ে মন খুলেছেন নায়কও। বলিউডে পা রাখার কিছু দিনের মধ্যেই ববি বুঝিয়ে দেন ছায়াছবির সব রকমের শ্রেণীতে অ’ভিনয় নিয়েই তিনি স্বচ্ছন্দ।

প্রথম ছবির পরে অউর পেয়ার হো গয়া (Aur Pyaar Ho Gaya) দেখেছে তাঁর রোম্যান্টিক লুক, গু”প্ত (Gupt) দেখেছে থ্রিলারে অ’ভিনয়ের দক্ষতা। সোলজার (Soldier) আর বিচ্ছু (Bichhoo) প্রমাণ করে দিয়েছে দাদার মতো তাঁরও অ্যাকশন হিরো হিসেবে কৃতিত্ব।

কিন্তু এক সময়ে আচমকাই একের পর এক ছবি ফ্লপ করতে শুরু করল। এক সময়ে আমি বেশ বড়় মাপের তারকা-ই ছিলাম! কিন্তু সব কিছু ঠিকঠাক চলল না! আমা’র মা’র্কেট ভ্যালু পড়ে গেল!

আমি এমন একটা অবস্থার মধ্যে এসে দাঁড়ালাম, যখন কেন এই সব হচ্ছে, সেটা উপলব্ধি করার মতো বোধটুকুও আর থাকল না। একটা পর্যায়ে আমি হাল ছেড়ে দিলাম, জানিয়েছেন নায়ক।

বলিউড যে তাঁকে আর প্রধান চরিত্রে চাইছে না, এই কথাটা মেনে নিতে অনেকটা সময় লেগেছিল, অকপটে জানিয়েছিলেন তিনি। স’ঙ্গে জানাতে ভোলেননি যে এই পর্বে তাঁর আর জীবন নিয়ে কোনও কিছুতেই আস্থা ছিল না।

আমি শুধু চুপচাপ বাড়িতে বসে থাকতাম। একদিন আচমকা মনে হল যে আমা’র সন্তানেরা বড় অদ্ভুত ভাবে আমায় চিনছে। ওরা জানে যে ওদের বাবা অ’ভিনেতা! কিন্তু সে অ’ভিনয় করতে যায় না, বাড়িতে বসে থাকে কেবল! এই উপলব্ধিটাই আমায় আবার বাস্তবে ফিরিয়ে আনল।

আমি বুঝতে পারলাম যে শিল্পী হিসেবে আমা’র কাজ কেবল নায়কের চরিত্রে অ’ভিনয় করা নয়। তাই আবার কাজ খুঁজতে লাগলাম, যা হাতে আসত, তাতেই অ’ভিনয় করা শুরু করলাম, বলছেন ববি! আর জানাচ্ছেন যে হালফিলে তিনি অ’ভিনয়ের ক্ষেত্রে কমফর্ট জোনে থাকতে চান না। বরং যে চরিত্রগু’লোয় অ’ভিনয় নিয়ে এক সময়ে তাঁর মনে দ্বিধা ছিল, আজকাল সেগু’লোই তাঁকে বেশি টানে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *