Home / করোনা নিউজ / করোনাভাইরাসের যে উপসর্গ চিকিৎসকদের অবাক করেছে

করোনাভাইরাসের যে উপসর্গ চিকিৎসকদের অবাক করেছে

Advertisement

প্রাণঘাতী করো’নাভা’ইরাস আত’ঙ্কে স্থবির পুরো বিশ্ব। চারদিকে ভয় এবং আত’ঙ্কের পরিবেশ। মৃ’ত্যু মিছিল যেন কিছুতেই থামতেই চাইছে না। যত দিন যাচ্ছে আ’ক্রান্ত ও মৃ’ত্যুর সংখ্যা ততই বাড়ছে। করো’নাভা’ইরাসে কোণঠাসা সবাই। করো’নার করাল থাবা কাউকে ছাড়ছে না।

Advertisement

বৃদ্ধ, তরুণ, শিশু কেউ এই ভাই’রাসের মারণ থাবা থেকে বাঁচতে পারছে না। বারবার নিজেকে পরিবর্তন করা এই ভা’ইরাসের কিছু উপসর্গ অবাক করেছে চিকিৎসকদেরও। কভিড-১৯ আ’ক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করেছেন এমন ডাক্তাররা বারবার বলছেন, ‘এরকম কোন কিছু আম'রা জীবনে কখনো দেখিনি’।

ব্রিটেনের কভিড রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া ডাক্তাররা, যাদের অনেকেই হাসপাতা’লগুলোর ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে কাজ করেছেন – তারা কিন্তু চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া এই নতুন ভাই’রাসের কথা জানতেন। তাদের অনেকে চীন এবং ইতালিতে থাকা তাদের সহকর্মীদের অভিজ্ঞতা শুনেছেন, পড়েছেন।

তারা জানতেন যে এই রোগ ব্রিটেনে পৌঁছানো সময়ের ব্যাপার মাত্র। কিন্তু সত্যি যখন করো’নাভা’ইরাস যু’ক্তরাজ্যে এলো, তখন কিন্তু আইসিইউর সবচেয়ে অভিজ্ঞ ডাক্তাররাও এই ভাই’রাসের সম্মুখীন হয়ে আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিলেন।

করো’নাভা’ইরাসে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীরই উপসর্গ ছিল মৃদু। কারো কারো হয়তো কোন উপসর্গই ছিল না। কিন্তু যে হাজার হাজার রোগীর অবস্থা সংকটজনক পর্যায়ে চলে গিয়েছিল –তাদের চিকিৎসা করতে গিয়ে ডাক্তাররা দেখলেন – কভিড-১৯ আসলে বিস্ময়কর রকমের জটিল একটি ভা’ইরাস।

কভিড -১৯ মানবদেহে কিভাবে আ’ক্রমণ করে – এ ব্যাপারে ডাক্তাররা যা জানতে পেরেছেন এবং যা এখনো জানতে পারেননি – তারই বর্ণনা এখানে।

এটি শুধুই ভাই’রাল নিউমোনিয়া নয়, তার চেয়েও ভয়ংকর জিনিস

প্যাডিংটনের সেন্ট মেরি‌’জ হাসপাতা’লের কনসালট্যান্ট অধ্যাপক এ্যান্টনি গর্ডন বলছিলেন, ডাক্তারদের অনেকেই মনে করেছিলেন এটা হবে শ্বাসতন্ত্র আক্রমণকারী ভা’ইরাস যা নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে। মৌসুমি ফ্লুর মতোই কিন্তু যা আরো ব্যাপক আকারে ছড়াচ্ছে। কিন্তু খুব দ্রুতই এটা স্পষ্ট হয়ে গেল যে এ ভা’ইরাস শুধু রোগীদের শ্বাসতন্ত্র নয় আরো অনেক কিছু আ’ক্রান্ত করছে।

প্রথমত: কভিড-১৯এ অনেক বেশি লোক সংক্রমিত হচ্ছে। কিন্তু তা ছাড়াও এটা যে অ’সুস্থতা তৈরি করছে তা একেবারেই অন্যরকম। আম'রা আগে কোন রোগীর মধ্যে এমন দেখিনি – বলছিলেন বার্মিংহ্যামের চিকিৎসক রন ডানিয়েলস।

তাছাড়া এই রোগে যারা সংকটাপন্ন অবস্থায় চলে যান তাদের ফুসফুসে এত তীব্র প্রদাহ এবং র’ক্ত জমাট বাঁধা শুরু হয়ে যায় যে তাতে অন্যান্য প্রত্যঙ্গগুলোও আক্রান্ত হয়, এবং রোগীর সারা দেহে জীবন বিপন্ন করার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

লন্ডনের একটি হাসপাতা’লের থ্রম্বোসিস বিশেষজ্ঞ বেভারলি হান্ট বলছিলেন, ‘একজন ডাক্তারের চোখে এটা এক ভয়াবহ পরিস্থিতি, কারণ আমা’দের সামনে এত বেশি রোগীর মধ্যে এ অবস্থা ঘটতে দেখা যাচ্ছে। আম'রা এখনো এই ভাই’রাসটির আচরণ বুঝতে হিমশিম খাচ্ছি।’

অক্সিজেন কমে যাওয়া

মার্চ মাস জুড়েই যু’ক্তরাজ্যের হাসপাতা’লগুলোতে এমন অনেক রোগী আসছিলেন যাদের শ্বাসকষ্ট ছিল, দেহে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গিয়েছিল। কিন্তু সবচেয়ে গুরুতর অ’সুস্থদের শুধু ফুসফুস নয়, অন্যান্য প্রত্যঙ্গেরও সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। তাদের দেহের র’ক্তে এমন কিছু ঘটছিল যার কোন ব্যাখ্যা মিলছে না।

উত্তর লন্ডনের হুইটিংটন হাসপাতা’লের অধ্যাপক হিউ মন্টগোমারি বলছেন, ‘আম'রা এখনো জানি না কেন কিছু রোগীর র’ক্তে অবিশ্বাস্য রকমের কম মাত্রায় অক্সিজেন থাকলেও তারা অ’সুস্থ বোধ করে না।’

মানুষের র’ক্তের হিমোগ্লোবিন নামে যে কণিকা আছে – সেটাই অক্সিজেন বহন করে। কোন কোন কভিড-১৯ রোগীর র’ক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ৮০ শতাংশ বা তারও নিচে নেমে যায়।

ডাক্তার এ্যান্টনি গর্ডন বলছেন, ‘সম্ভবত: এর সাথে প্রদাহের একটা সম্পর্ক আছে – যার কারণে র’ক্তনালীর ওপর প্রভাব পড়ছে। এতে অক্সিজেন র’ক্তে মিশতে পারছে না কিন্তু ফুসফুসে হয়তো তেমন প্রভাব পড়ছে না, অন্তত প্রাথমিক স্তরে। এটি হচ্ছে কভিড-১৯এর অনেক রহস্যের একটা। এ নিয়ে জরুরিভাবে আরো গবেষণা দরকার।’

এ কারণে অনেক ডাক্তার প্রশ্ন করছেন, করে’না’ভা’ইরাস রোগীদের ক্ষেত্রে ভেন্টিলেশন সবসময় সঠিক পন্থা কিনা। ভেন্টিলেটর দিতে হলে রোগীকে অজ্ঞান করতে হয় এবং তার শ্বাসনালীতে একটা নল ঢোকাতে হয়। এতে অনেক গুরুতর অ’সুস্থ কভিড রোগীকে বাঁ’চানো সম্ভব হয়েছে। কিন্তু কারো কারো ক্ষে ভেত্রেন্টিলেটর ভুল সময়ে ভুল চিকিৎসা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

বেলফাস্টের রয়াল ভিক্টোরিয়া হাসপাতা’লের অধ্যাপক ড্যানি ম্যাকলে বলছেন, এই রোগ বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্যে দিযে যায়, তাই কোন পর্যায়ে কিভাবে ভেন্টিলেটর ব্যবহার করতে হবে তা বুঝতে আমা’দের আরো সময় লাগবে। সাধারণত গুরুতর নিউমোনিয়ায় আ’ক্রান্ত রোগীকে এক সপ্তাহ ভেন্টিলেটর দিতে হয়। কিন্তু কভিড রোগীদের অনেককে আরো অনেক বেশি সময় ধরে ভেন্টিলেটর দিতে হচ্ছে যার কারণ আম'রা ঠিক জানি না।’

প্রদাহ এবং র’ক্ত জমাট বেঁধে যাওয়া

সবাই বলছেন, ফুসফুস বা র’ক্তনালীর নজিরবিহীন প্রদাহ এটাকে একেবারেই ভিন্ন রকম এক রোগে পরিণ তকরেছে। এ কারণে র’ক্ত জমাট বেঁধে যাবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আর গুরুতর রোগীদের ২৫ শতাংশের দেহেই কভিড-১৯ অবিশ্বাস্য রকমের ঘন এবং আঠালো র’ক্ত তৈরি করে, যা এক বিরাট সমস্যা – বলছেন হিউ মন্টগোমারি।

বেভারলি হান্ট বলেন, ‘এর ফলে বিশেষত: রোগীর পায়ে র’ক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে, যাকে বলে ডীপ ভেইন থ্রমবোসিস, এবং এটা সারা শরীরে ঘুরে ফুসফুসে র’ক্ত সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে। যার ফরে নিউমোনি আয়ারো গুরুতর চেহারা নেয়। তা ছাড়া জমাট বাঁধা র’ক্ত মস্তিষ্ক বা হৃদপিন্ডে র’ক্ত সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে – যার ফলে রোগীর হার্ট এ্যাটাক বা স্ট্রোক হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, ‘র’ক্তে যে প্রোটিনটি জমাট বাঁধার সমস্যা সৃষ্টি করে তার নাম ফাইব্রিনোজেন। সাধারণত এক লিটার র’ক্তে এর পরিমাণ থাকে ২ থেকে ৪ গ্রাম। কিন্তু কভিড রোগীর র’ক্তে লিটার প্রতি ১০ থেকে ১৪ গ্রাম পর্যন্ত ফাইব্রিনোজেন পাওয়া গেছে – যা আমি ডাক্তার হিসেবে আমা’র জীবনে কখনো দেখিনি।’

‘র’ক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি মাপার আরেকটি একক হলো ডি-ডাইমার নামে একটি প্রোটিন। স্বাস্থ্যবান রোগীর র’ক্তে এটা দশক থেকে শ‌’য়ের হিসেবে মাপা হয়। কিন্তু কভিড রোগীর দেহে এই স্তর ৬০, ৭০ বা ৮০,০০০ পর্যন্ত উঠতে দেখা গেছে – যা আম'রা কখনা শুনিনি’ বলছেন হিউ মন্টগোমারি।

রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য প্রত্যঙ্গ

কারো কারো ক্ষেত্রে কভিড-১৯ সংক্রমণ এত তীব্র হতে পারে যে দেহের রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেমে অ’তিরিক্ত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে – যা খুবই বিপজ্জনক।

এ্যান্টনি গর্ডন বলেন, ‘সংক্রমণ ঠেকানোর অংশ হিসেবে মানবদেহ সাইটোকিন নামে একধরণের অণু তৈরি করে যাকে বলা যায় – এক ধরণের রাসায়নিক সতর্ক সংকেত। এর ফলে শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, যা একটা পর্যায় পর্যন্ত ক্ষতিকর নয়। কিন্তু কোন কোন রোগীর দেহে কোভিড সংক্রমণ সৃষ্টি করে একরকম ‘সাইটোকিন ঝড়’ বিপুল পরিমাণে সাইটোকিন শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, আর তাতে আরো বেশি প্রদাহ সৃষ্টি হয়। ফলে ইমিউন সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ র’ক্তে টি সেলের পরিমাণ কমে যায়, দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট, এবং শরীরের অন্যান্য প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

এ কারণে কভিড-১৯ শরীরে ঢুকে ঠিক কী করবে তা আগে থেকে বলা খুবই কঠিন। বিশেষজ্ঞরা একে বলছেন মাল্টি-সিস্টেম রোগ – যাতে রোগীর ফুসফুস, কিডনি, হৃদপিন্ড, লিভার এমনকি মস্তিষ্ক – যে কোন কিছু আক্রান্ত হতে পারে।

হিউ মন্টগোমারি বলছিলেন, ‘আইসিইউতে আসা দু’হাজারেরও বেশি কোভিড রোগীর ক্ষেত্রে কিডনি অকেজো হয়ে যাবার সমস্যা দেখা দিয়েছে। অনেকের মস্তিষ্ক প্রদাহ দেখা দিয়েছে – তাদের মধ্যে বি’ভ্রান্তি বা উল্টোপাল্টা আচরণ করার সমস্যা দেখা গিয়েছে। অনেকের ভেন্টিলেটর খুলে নেবার পর ঠিক মত জ্ঞান ফিরছে না।’

বলা হয় যেসব রোগীর আগে থেকে স্বাস্থ্য সমস্যা থাকে তাদের ক্ষেত্রে কভিড-১৯ সংক্রমণ বিপজ্জনক রূপ নিতে পারে। এর মধ্যে শুধু এ্যাজমা বা হাঁপানি নয়, উচ্চ র’ক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্থুলতা, বৃদ্ধ বয়স, এমনকি রোগী পুরুষ না নারী – সবই রয়েছে।

এক হিসেবে দেখা গেছে, ইংল্যান্ড, ওয়েলস আর নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে সংকটাপন্ন রোগীদের ৭০ ভাগই ছিলেন পুরুষ, ৭০ ভাগই ছিলেন মোটা বা ওজন বেশি, দু-তৃতীয়াংশের বয়স ছিল ৬০এর বেশি।

কেউ কেউ, সবাই নয়

কিন্তু তার পরও এটা ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না যে কেন বেশির ভাগ কভিড সংক্রমিত লোকের দেহেই মৃদু উপসর্গ দেখা দেয়, এবং কেন কেউ কেউ দ্রুত গুরুতর অ’সুস্থ হয়ে পড়েন।

রন ড্যানিয়েলস বলছেন, ‘আম'রা এখনো এর কারণ বুঝতে পারছি না। এ কারণে করো’নাভা’ইরাস নিয়ে নানারকম তত্ত্ব ছড়াচ্ছে, আবার গবেষণাও চলছে।’

ড্যানিয়েলসের মতে হয়তো কোন ব্যক্তির জিনগত গঠন, বা এশিয়ান ও কৃষ্ণাঙ্গদের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য এতে একটা ভুমিকা রাখছে, – কিন্তু এটা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

অনেকে বলছেন, যাদের দেহকোষে এসিই-টু নামের একটি প্রোটিন – যা র’ক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়ক – বেশি থাকে তাদের কভিড সংক্রমণের ফলে গুরুতর অ’সুস্থ হবার ঝুঁকি বেশি থাকে। দেখা গেছে, তাদের ক্ষেত্রে অন্ত্রের সমস্যা বা কিডনি অকেজো হয়ে যাবার ঘটনা বেশি ঘটেছে। কিন্তু যত উত্তর পাওয়া যাচ্ছে – তার চেয়ে প্রশ্ন অনেক বেশি।

পরীক্ষামূলক চিকিৎসা

আইসিইউর ডাক্তাররা এখনো যেসব প্রশ্ন নিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন তা হলো:

১.কভিড-১৯ রোগীদের ভেন্টিলেশন দেবার সঠিক সময় কখন?

২.এন্টি-ভাইরাল ওষুধগুলোর মধ্যে কোনটা সর্বোত্তম, অথবা প্রদাহ-রোধী এবং রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণের আনার ওষুধগুলোর সঠিক মাত্রা কতটা?

৩.প্লাজমা বা সেরে-ওঠা রোগীদের র’ক্তের এন্টিবডি ব্যবহার কি এ সমস্যার সমাধান করতে পারে?

ডাক্তারদের মতে, আগামী কয়েক মাসে ব্যাপক পরিমাণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমেই শুধু এর উত্তর পাওয়া সম্ভব।

এ কারণে আইসিইউর ডাক্তাররা অনেক ক্ষেত্রেই তাদের আগেকার জ্ঞানের ভিত্তিতে কভিড-১৯ রোগীদের ওষুধ দিতে পারছেন না – তাদেরকে বরং একেকজন রোগীর অবস্থা দেখে ঠিক করতে হচ্ছে, কি করবেন।

বেভারলি হান্ট বলছেন, তার কাছে ব্যাপারটাকে প্রায় ‘মধ্যযুগীয়’ অবস্থা বলে মনে হয়েছে। এ্যান্টনি গর্ডন বলেন, তিনি ২০ বছর ধরে আইসিইউতে কাজ করছেন। কিন্তু কভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা করতে গিয়ে তার মনে হয়েছে, আজ তিনি হাসপাতা’লে যা করেছেন তা সঠিক ছিল কিনা – তা তিনি জানেন না।

সূত্র- বিবিসি বাংলা।

Advertisement
Advertisement

Check Also

দেশে করোনার আরো নতুন ৫ উপসর্গ, জানুন সেগুলো কি কি?

Advertisement Advertisement আনিস সাহেব (ছ’ন্দ নাম) অফিস থেকে ফি’রেই ক্লা’ন্তি বো’ধ কর’ছিলেন। অফিস থেকে ‘ফিরলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!