Breaking News
Home / করোনা নিউজ / বিটিভির মহাপরিচালক সপরিবারে যেভাবে করো’না মুক্ত হলেন

বিটিভির মহাপরিচালক সপরিবারে যেভাবে করো’না মুক্ত হলেন

Advertisement

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক এসএম হারুন অর রশীদ স্ত্রী ও এক ক’ন্যাসহ করো’নাভা’ইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে’ছিল। নমুনা পরী’ক্ষার পর গত ৩ মে রোজ রোববার তাদের কো’ভিড-১৯ শনা’ক্ত হয়। তবে এখন তিনি সম্পূর্ণ করো’নামু’ক্ত রয়ে’ছেন। করো’নামু’ক্ত হয়ে তিনি নিজেই বিষয়টি সামাজিক যোগা’যোগ মাধ্যম ফেস’বুকে জানিয়েছেন। তার দেয়া স্ট্যা’টাসটি হুবহু তুলে ধ’রা হলো-

Advertisement

‘আ’ল্লাহর অশেষ রহম’তে সবার দোয়ায় আমা’দের ‘তিনজনের ২য় ফ’লোআপ টেস্টেও Covid-19 Negative result এসেছে। করো’নাকে মোকা’বেলা করতে আম'রা সাহস হারা’ইনি। বাসায় থেকে ডা’ক্তারের নির্দেশনা অনুযায়ী চিকিৎসা নিয়েছি।

জ্বর হলে প্যা’রাসি’টামল খেয়েছি। খেয়েছি এন্টি’বায়ো’টিক ‘এজিথ্রেমাইসিন’ (৫দিন, দৈনিক ১টা করে) প্রতিদিন ১টি করে ভি’টামিন ডি (২০০০ এমজি), দু’বেলা ২টি করে জিঙ্ক ট্যাবলেট (৬০ এমজি করে) এবং পানি’তে গুলি’য়ে প্রতিদিন ১ টি করে ভিটামিন সি (CavicC)। আমা’দের জ্ব’র ছিল। ছিল কাশি এবং ছিল খাবা’রে অরু’চি।

সামা’ন্য শ্বাস’কষ্ট হলেও হা’সপা’তালে যেতে হবে। শ্বাস’ক’ষ্টের চিকিৎসা বাসায় সম্ভব না। আল্লাহর রহমতে আমা’দের ৩ জনের মধ্যে কা’রোর’ই শ্বা’সক’ষ্ট এবং ডায়রিয়া ছিল না। আমি আমা’র ব্লাড’সুগা’র ক’ন্ট্রোলে রেখেছি। ব্যা’য়াম করেছি এবং রৌদ্র গায়ে মে’খেছি। প্রচুর প্রোটিন খাওয়া’র চেষ্টা করেছি। সব সময় গরম পানি খে’য়েছি এবং খাচ্ছি।

গরমপানি দিয়ে দিনে ৩/৪ বার গ’ড়গড়া করেছি। নানা উপাচার মিশিয়ে নাকেমুখে গরমপানির ভাপ নিয়ে’ছি। আমা’র স্ত্রী নাহীদ সুলতানা নি’জের কোভিড-১৯ অ’সুস্থতাকে উ’পেক্ষা করে একেবারে একা (আমা’দের বাসায় কা’জের লোক নেই ২৫ মার্চ থেকে) আমা’দের সেবা’যত্ন করেছে, করছে।

নানা ধর’নের মিশ্রণ, ক্বাথ বানিয়ে আমা’দের খাওয়া’চ্ছে। লেবুপা’নি, ফল, ফলের জুস, তুলসীপাতা, আদা, কালো’জিরা, মধু, ডিম, মাছ, মাংস ইত্যাদি খাইয়ে সে আমা’দের immune system active এবং strong রাখতে যা যা করা সম্ভব করেছে, করছে। পরি’ষ্কার রাখছে ঘর’বাড়ি। কী কী ক’রেছি, খেয়েছি- এসব বললাম এ কা’রণে যে এসব টোটকা অন্যদে’র কাজে লাগতে পারে।

আমাদে’র একমাত্র কন্যা নি’কিতা নন্দিনী নিজে কোভিড-১৯ রোগী হয়েও বাসার অনেক কাজ করে’ছে। ঘর’দো’র জী’বানু’মুক্ত রেখেছে। দেশে এবং বিদেশে বসবা’সকারী আমা’দের আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও সহকর্মী’রা নিয়মিত আ’মাদের খোঁজখবর রেখেছেন। খাবার ও ওষুধ পাঠিয়েছেন। সাহস জু’গিয়েছেন। প’রিচিত ও অ’পরিচিত ডাক্তাররা টেলিফোনে আমা’দের খোঁজখবর রেখেছেন। পরামর্শ দিয়েছেন।

বিশেষ করে আমা’র দুই শ্যালক ডা. শাহ’রিয়ার কবীর তুষার এবং ডা. কাওছার (লিয়ন) বলতে গেলে ঘন্টায় ঘন্টায় আ’দের খবর নিয়েছে। ডা. তুষা’র বিভিন্ন বিষয়ে বি’শেষজ্ঞ’দের সাথে পরামর্শ করে আমা’দের চিকিৎসার সামগ্রিক দা’য়িত্ব পালন করেছে।

IEDCR যথাস’ময়ে অতি নিষ্ঠার সাথে আমা’দের কোভিড-১৯ টেস্ট, ১ম ও ২য় ফলোআপ টেস্ট করে আমা’দেরকে ক’রোনা’মুক্ত সনদ দিয়েছে। ধন্যবাদ এবং কৃত’জ্ঞতা জানাই সবাইকে। আমা’দের বন্ধু রানা’র intervention এ অনেক বিষয় expedite হয়েছে। রানার পুরো নাম এবং পরিচয় আর একদিন বলা যাবে।’

Advertisement
Advertisement

Check Also

দেশে করোনার আরো নতুন ৫ উপসর্গ, জানুন সেগুলো কি কি?

Advertisement Advertisement আনিস সাহেব (ছ’ন্দ নাম) অফিস থেকে ফি’রেই ক্লা’ন্তি বো’ধ কর’ছিলেন। অফিস থেকে ‘ফিরলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!